০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চিরকুট লিখে পালিয়ে যাওয়া স্কুলছাত্র উদ্ধার

‘আধ্যাত্মিক’ ভাষায় চিরকুট লিখে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়া পুলিশ কনস্টেবলের ছেলে স্কুলছাত্র মোহায়মিনুল ইসলামকে চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

মোহায়মিনুল ইসলাম মমিন (১৪) সাতক্ষীরা সদর থানার কনস্টেবল মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে। সে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শনিবার মধ্যরাতে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। তাকে সাতক্ষীরায় ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। কী কারণে বা কাদের সঙ্গে সে বাড়ি ছেড়ে সেখানে গিয়েছিল সেসব বিষয়ে এখনো জানা যায়নি। জিজ্ঞাসবাদ শেষে বিস্তরিত জানা যাবে।

‘আধ্যাত্মিক’ ভাষায় চিরকুট লিখে শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মোহায়মিনুল ইসলাম এশার নামাজ পড়ার কথা বলে শহরের মনজিতপুর এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল।

চিরকুট সে লিখে রেখে যায়, ‘আমি গৃহ পলায়ন করি নাই। গৃহত্যাগ করিলাম। সত্যের সন্ধানে যাচ্ছি। আমাকে খোঁজাখুঁজি করে লাভ নেই। সত্যের মধ্যে সত্য আছে। কাজের ভেতরে কাজ আছে। দীর্ঘকালে আমাকে কেহ চিনে নাই, জানে নাই আমার কাজকে। আজ হয়তো প্রভুর অনুমতিক্রমে আমার সময় শেষ। তাই চলিলাম। ইহা স্বাভাবিক। অন্তত মুসলিমের পক্ষে। আমি সত্য লইয়াই আঁধার রাতে বাহির হইয়াছি।’

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রামে পরিবর্তনের রূপকার: ধানের শীষের প্রার্থী আব্দুল আজিজকে ঘিরে গণজোয়ার

চিরকুট লিখে পালিয়ে যাওয়া স্কুলছাত্র উদ্ধার

প্রকাশিত : ০৩:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

‘আধ্যাত্মিক’ ভাষায় চিরকুট লিখে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়া পুলিশ কনস্টেবলের ছেলে স্কুলছাত্র মোহায়মিনুল ইসলামকে চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

মোহায়মিনুল ইসলাম মমিন (১৪) সাতক্ষীরা সদর থানার কনস্টেবল মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে। সে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শনিবার মধ্যরাতে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। তাকে সাতক্ষীরায় ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। কী কারণে বা কাদের সঙ্গে সে বাড়ি ছেড়ে সেখানে গিয়েছিল সেসব বিষয়ে এখনো জানা যায়নি। জিজ্ঞাসবাদ শেষে বিস্তরিত জানা যাবে।

‘আধ্যাত্মিক’ ভাষায় চিরকুট লিখে শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মোহায়মিনুল ইসলাম এশার নামাজ পড়ার কথা বলে শহরের মনজিতপুর এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল।

চিরকুট সে লিখে রেখে যায়, ‘আমি গৃহ পলায়ন করি নাই। গৃহত্যাগ করিলাম। সত্যের সন্ধানে যাচ্ছি। আমাকে খোঁজাখুঁজি করে লাভ নেই। সত্যের মধ্যে সত্য আছে। কাজের ভেতরে কাজ আছে। দীর্ঘকালে আমাকে কেহ চিনে নাই, জানে নাই আমার কাজকে। আজ হয়তো প্রভুর অনুমতিক্রমে আমার সময় শেষ। তাই চলিলাম। ইহা স্বাভাবিক। অন্তত মুসলিমের পক্ষে। আমি সত্য লইয়াই আঁধার রাতে বাহির হইয়াছি।’

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম