১০:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

আব্দুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চলে হবে লাখ মানুষের কর্মসংস্থান

লাখ মানুষের কর্মস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যকে সামনে রেখে বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল আবদুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চল (এএমইজেড) লিমিটেডের কার্যক্রম মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় বেসরকারি উদ্যোগে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত লাইসেন্স পেয়েছে আবদুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চল (এএমইজেড) লিমিটেড। প্রয়োজনীয় সব শর্ত পূরণ করে ‘এএমইজেড’ লিমিটেড এ অনুমতিপত্র অর্জন করে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপ (বেজা)।

বেজা নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী বলেন, আবদুল মোনেম লিমিটেড একটি অন্যতম বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলের নাম; তারা লাইসেন্স প্রাপ্তদের মধ্যে দ্বিতীয়। বর্তমানে তাদের প্রায় ১৪২ একর জমির লাইসেন্স দেয়া হলেও তারা যদি এই অঞ্চলকে সার্থক করতে চায় তাহলে তাদের আকার আরও বৃদ্ধি করতে হবে। এজন্য বেজার প থেকে সব ধরনের সহায়তা করা হবে বলে জানান সংস্থাটির চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী।

পবন চৌধুরী জানান, আগামী ১৫ বছরে ১শ’টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার মাধ্যমে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছে বেজা।

aml ltd 2

আবদুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম মাইনুদ্দিন মোনেম জানান, চলতি ২০১৭ সালের মধ্যেই আবদুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চলে চলমান সব নির্মাণ কাজ শেষ হবে। তখন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। এই অঞ্চলকে ‘আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে দেশের অন্যতম প্রধান এ শিল্প পরিবার। আবদুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চলে নারী উদ্যোক্তা এবং পাট সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ সুবিধা দেয়া হবে। এই অঞ্চল আগামী ৫ বছরে এক লাখ লোকের কর্মসংস্থান করবে বলে আশাবাদ করা যায়।

মাইনুদ্দিন মোনেম বলেন, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভাড়া বিবেচনা করেই এ অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভাড়া ঠিক হবে। যাতে বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে আসে। ঢাকা থেকে প্রায় ৩৭ কিলোমিটির দণি পূর্বে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা চর বাউশিয়া এবং চর জাজিরা মৌজায় নির্মাণাধীন এই বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল ২০১৫ সালের জুন মাসে প্রাক যোগ্যতা সনদ পেয়েছে। এতে ভূমি ক্রয়, ভূমি উন্নয়ন এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, নিজস্ব পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, তিতাস থেকে সরবরাহ করা গ্যাস সংযোগসহ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সব সুবিধা ও সেবা থাকবে বলে বেজা থেকে জানানো হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

আব্দুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চলে হবে লাখ মানুষের কর্মসংস্থান

প্রকাশিত : ০৯:১৭:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৭

লাখ মানুষের কর্মস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যকে সামনে রেখে বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল আবদুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চল (এএমইজেড) লিমিটেডের কার্যক্রম মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় বেসরকারি উদ্যোগে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত লাইসেন্স পেয়েছে আবদুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চল (এএমইজেড) লিমিটেড। প্রয়োজনীয় সব শর্ত পূরণ করে ‘এএমইজেড’ লিমিটেড এ অনুমতিপত্র অর্জন করে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপ (বেজা)।

বেজা নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী বলেন, আবদুল মোনেম লিমিটেড একটি অন্যতম বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলের নাম; তারা লাইসেন্স প্রাপ্তদের মধ্যে দ্বিতীয়। বর্তমানে তাদের প্রায় ১৪২ একর জমির লাইসেন্স দেয়া হলেও তারা যদি এই অঞ্চলকে সার্থক করতে চায় তাহলে তাদের আকার আরও বৃদ্ধি করতে হবে। এজন্য বেজার প থেকে সব ধরনের সহায়তা করা হবে বলে জানান সংস্থাটির চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী।

পবন চৌধুরী জানান, আগামী ১৫ বছরে ১শ’টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার মাধ্যমে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছে বেজা।

aml ltd 2

আবদুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম মাইনুদ্দিন মোনেম জানান, চলতি ২০১৭ সালের মধ্যেই আবদুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চলে চলমান সব নির্মাণ কাজ শেষ হবে। তখন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। এই অঞ্চলকে ‘আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে দেশের অন্যতম প্রধান এ শিল্প পরিবার। আবদুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চলে নারী উদ্যোক্তা এবং পাট সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ সুবিধা দেয়া হবে। এই অঞ্চল আগামী ৫ বছরে এক লাখ লোকের কর্মসংস্থান করবে বলে আশাবাদ করা যায়।

মাইনুদ্দিন মোনেম বলেন, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভাড়া বিবেচনা করেই এ অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভাড়া ঠিক হবে। যাতে বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে আসে। ঢাকা থেকে প্রায় ৩৭ কিলোমিটির দণি পূর্বে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা চর বাউশিয়া এবং চর জাজিরা মৌজায় নির্মাণাধীন এই বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল ২০১৫ সালের জুন মাসে প্রাক যোগ্যতা সনদ পেয়েছে। এতে ভূমি ক্রয়, ভূমি উন্নয়ন এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, নিজস্ব পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, তিতাস থেকে সরবরাহ করা গ্যাস সংযোগসহ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সব সুবিধা ও সেবা থাকবে বলে বেজা থেকে জানানো হয়।