০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

ময়মনসিংহে শিশু হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় ১৩ বছর বয়সী ছেলে সুজন ওরফে চেতন পণ্ডিতকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ আদালত। মোবাইল ফোন বিক্রিকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহে ছয় বছর আগে ওই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। একইসাথে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মিয়াজী শহিদুল আলম চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, তারাকান্দা উপজেলার লাউটিয়া গ্রামের আকবর আলী (৪০), আকরাম হোসেন (৩৫) ও বাড়ৈইপাড়া গ্রামের তানভীর হাসান আনিছ (৩২)। তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সঞ্জীব সরকার সঞ্জু।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, একটি মোবাইল ফোন বিক্রি করাকে কেন্দ্র করে লাউটিয়া গ্রামের খোকন পণ্ডিতের ১৩ বছর বয়সী ছেলে সুজন ওরফে চেতন পণ্ডিতকে কুপিয়ে হত্যা করে আসামিরা। পরে স্থানীয় একটি পুকুর পাড়ে তার লাশ ফেলে রাখে। ঘটনার পরদিন সুজনের বাবা তিনজনকে আসামি করে থানায় এই হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালে ৩ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলে এ মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ময়মনসিংহে শিশু হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত : ০৩:৫৩:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৭

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় ১৩ বছর বয়সী ছেলে সুজন ওরফে চেতন পণ্ডিতকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ আদালত। মোবাইল ফোন বিক্রিকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহে ছয় বছর আগে ওই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। একইসাথে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মিয়াজী শহিদুল আলম চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, তারাকান্দা উপজেলার লাউটিয়া গ্রামের আকবর আলী (৪০), আকরাম হোসেন (৩৫) ও বাড়ৈইপাড়া গ্রামের তানভীর হাসান আনিছ (৩২)। তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সঞ্জীব সরকার সঞ্জু।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, একটি মোবাইল ফোন বিক্রি করাকে কেন্দ্র করে লাউটিয়া গ্রামের খোকন পণ্ডিতের ১৩ বছর বয়সী ছেলে সুজন ওরফে চেতন পণ্ডিতকে কুপিয়ে হত্যা করে আসামিরা। পরে স্থানীয় একটি পুকুর পাড়ে তার লাশ ফেলে রাখে। ঘটনার পরদিন সুজনের বাবা তিনজনকে আসামি করে থানায় এই হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালে ৩ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলে এ মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।