বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন শুক্রবার (২৫ অক্টোবর)। এবারের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সভাপতি পদে নির্বাচন করছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। তার বিপরীতে পূর্ণ প্যানেল নিয়ে সভাপতি পদে লড়ছেন মিশা সওদাগর। এবারের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে রয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন।
নির্বাচনকে ঘিরে এফডিসিতে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তবে প্রচারনায় কোনও ইশতেহার তুলে ধরেননি মৌসুমী। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর একটি কমিনিটি সেন্টোরে সংবাদ সম্মেলন করেন মৌসুমী। সেখানে নির্বাচন উপলক্ষে ৮ দফা ইশতেহার প্রকাশ করেন তিনি।
ইশতেহারগুলো হলো—শিল্পীকে তার আত্মসম্মানের জায়গায় দেখতে চাই। শিল্পী সমিতির অফিসিয়াল ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনা। যাতে শিল্পী সমিতির সকল কার্যক্রম এবং সম্মানিত সদস্যদের ডাটাবেজ ওয়ান ক্লিকের মাধ্যমে সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। শিল্পী সমিতির নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল খোলা।
শিল্পী সমিতির থেকে ওয়েব সিরিজ তৈরি করা হবে। তা থেকে লাভের সম্পূর্ণ অংশ শিল্পী সমিতির তহবিলে প্রদান করা হবে। এছাড়া, এতে অভিনয়ের জন্য পারিশ্রমিক পাবেন শিল্পীরা। পাশাপাশি চলচ্চিত্রের বর্তমান দুরাবস্থা থেকে মুক্তি এবং চলচ্চিত্রের সুদিন ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের এবং প্রযোজক ও পরিচালক সমিতির যেসব কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন তাদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে কাজ করা। শিল্পীদের সহযোগিতা এবং সম্মন্বয়ে প্রতি বছর একটি করে এক্সিবিশন করা। তারকাদের স্বাক্ষর ছবিসহ মগসহ বিভিন্ন স্যুভেনির বিক্রি করে শিল্পী সমিতির তহবিল বাড়ানো।
এছাড়া মৌসুমির ৮ দফা ইশতেহারের মধ্যে আছে বয়স্ক ভাতা চালু করা। বিভিন্ন স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগত দাতাদের নিকট থেকে ফান্ড কালেক্ট করে আলাদা একটি অ্যাকাউন্ট করে বয়স্ক ভাতা পরিচালনা করা। স্বল্প আয়ের শিল্পীদের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে হস্তশিল্পী বা কুটির শিল্প প্রতিষ্ঠান তৈরি করা।
ইশতেহার ঘোষণার পর মৌসুমী জানান, তিনি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। তবে নির্বাচন কেন্দ্র করে আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
ইশতেহার পাঠ শেষে চলচ্চিত্রের এই জনপ্রিয় নায়িকা বলেন, আমার প্রতিপক্ষ পরাজিত হবে এই আশঙ্কায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সাংবাদিকদের অনুরোধ করব এদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে।
বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ

























