০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কুড়িগ্রামে আগুনে পুড়ে কৃষকের ৮ গরুর মৃত্যু

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নের চর রসুলপুর গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে আগুনে পুড়ে আয়নাল মিয়া নামে এক কৃষকের ৮টি গরুর মৃত্যু হয়েছে। এসময় আগুনে পুড়ে গুরতর আহত হয়েছে বাছুরসহ আরো ১২টি গরু।

স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে চর রসুলপুর গ্রামের আয়নাল মিয়ার গোয়াল ঘরে আগুন লাগে। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুন সমস্ত গোয়াল ঘর পুড়িয়ে তা পার্শ্ববর্তী থাকার ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।

এতে গোয়াল ঘরে থাকা গবাদি পশুর মধ্যে ৮টি গরু পুড়ে মারা যায়। বাকী আরো ১২টি গরু আগুনে পুড়ে গুরুতর আহত হয়। পুড়ে গেছে থাকার ঘরের সকল আসবাবপত্রও।

এব্যাপারে বাড়ির মালিক আয়নাল মিয়া জানান, আমার ৮টি গরু পুড়ে মারা গেছে। বাকী ১২টি গরু পুড়ে আহত হয়েছে সেগুলোর অবস্থাও ভালো না। গরু পালন করেই আমি জীবিকা নির্বাহ করি। আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।

ঘোগাদহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহ আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্থ আয়নাল মিয়ার বাড়িতে আগুন লেগে গরু পুড়ে মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরুপন করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার নিকট পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো: হাবিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আমাদের চিকিৎসাকর্মীরা গিয়ে আহত গরুর চিকিৎসা দিয়েছেন। পুড়ে যাওয়া গরুগুলো ঝুঁকিমুক্ত নয় বলে জানান তিনি।

এব্যাপারে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াছমিন জানান, চরে গোয়ালঘরে আগুন লেগে গরুর মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদন তৈরি করে পাঠাতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে সে মোতাবেক ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে সহায়তা করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নির্বাচন পরবর্তী ধানের শীষের কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি বিএনপির

কুড়িগ্রামে আগুনে পুড়ে কৃষকের ৮ গরুর মৃত্যু

প্রকাশিত : ০৫:৩৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০১৯

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নের চর রসুলপুর গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে আগুনে পুড়ে আয়নাল মিয়া নামে এক কৃষকের ৮টি গরুর মৃত্যু হয়েছে। এসময় আগুনে পুড়ে গুরতর আহত হয়েছে বাছুরসহ আরো ১২টি গরু।

স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে চর রসুলপুর গ্রামের আয়নাল মিয়ার গোয়াল ঘরে আগুন লাগে। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুন সমস্ত গোয়াল ঘর পুড়িয়ে তা পার্শ্ববর্তী থাকার ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।

এতে গোয়াল ঘরে থাকা গবাদি পশুর মধ্যে ৮টি গরু পুড়ে মারা যায়। বাকী আরো ১২টি গরু আগুনে পুড়ে গুরুতর আহত হয়। পুড়ে গেছে থাকার ঘরের সকল আসবাবপত্রও।

এব্যাপারে বাড়ির মালিক আয়নাল মিয়া জানান, আমার ৮টি গরু পুড়ে মারা গেছে। বাকী ১২টি গরু পুড়ে আহত হয়েছে সেগুলোর অবস্থাও ভালো না। গরু পালন করেই আমি জীবিকা নির্বাহ করি। আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।

ঘোগাদহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহ আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্থ আয়নাল মিয়ার বাড়িতে আগুন লেগে গরু পুড়ে মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরুপন করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার নিকট পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো: হাবিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আমাদের চিকিৎসাকর্মীরা গিয়ে আহত গরুর চিকিৎসা দিয়েছেন। পুড়ে যাওয়া গরুগুলো ঝুঁকিমুক্ত নয় বলে জানান তিনি।

এব্যাপারে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াছমিন জানান, চরে গোয়ালঘরে আগুন লেগে গরুর মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদন তৈরি করে পাঠাতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে সে মোতাবেক ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে সহায়তা করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ