১২:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

অবরুদ্ধ ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

নতুন আইনে জরিমানা পরিমাণ বেড়েছে প্রায় চারগুণ, শাস্তিও বেড়েছে। এতে অসন্তোষ পরিবহন শ্রমিকরা। তাই আইন প্রত্যাহারের দাবিতে বুধবার থেকে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন তারা। বুধবার সকাল থেকে শ্রমিকদের আন্দোলন ও ধর্মঘটে ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। অভ্যন্তরীণ ছোট কিছু যানবাহন ছাড়া তেমন কোন যানবাহনই চলাচল করতে দেখা যায়নি

নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড, সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল, কাঁচপুরসহ ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্নস্থানে অবস্থান নিয়েছেন পরিবহন শ্রমিকরা। শুধু তাই নয় অন্যান্য যান চলাচলেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন তারা। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড, সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল ও কাঁচপুরে দেখা গেছে শ্রমিকরা বিভিন্ন পরিবহনের বাস সড়কে ফেলে রেখে যান চলাচল বন্ধ করে সড়কে অবস্থান নিয়েছেন।

শ্রমিকরা জানান, এ আইন প্রত্যাহার করা না হলে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে না। বন্ধন পরিবহণের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী জানান, সকাল থেকেই বাস বন্ধ রয়েছে। মূলত এটি শ্রমিকদের পক্ষ থেকে ধর্মঘট এখানে মালিকপক্ষের কোনো কিছু নেই।

জেলা ট্রাফিক পুলিশের টিআই (প্রশাসন) মোল্যা তাসনিম মোল্লা জানান, ঢাকার অংশে যানবাহন প্রবেশ ও বের হওয়া বন্ধ করে দিয়েছে শ্রমিকরা। সাইনবোর্ড এলাকাতে তারা এ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। এ ছাড়া বাকি সড়কগুলোতে যানবাহন চলছে তবে কম।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হরিণের মাংসসহ একজন মাংস ব্যবসায়ীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড

অবরুদ্ধ ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

প্রকাশিত : ১১:৪৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯

নতুন আইনে জরিমানা পরিমাণ বেড়েছে প্রায় চারগুণ, শাস্তিও বেড়েছে। এতে অসন্তোষ পরিবহন শ্রমিকরা। তাই আইন প্রত্যাহারের দাবিতে বুধবার থেকে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন তারা। বুধবার সকাল থেকে শ্রমিকদের আন্দোলন ও ধর্মঘটে ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। অভ্যন্তরীণ ছোট কিছু যানবাহন ছাড়া তেমন কোন যানবাহনই চলাচল করতে দেখা যায়নি

নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড, সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল, কাঁচপুরসহ ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্নস্থানে অবস্থান নিয়েছেন পরিবহন শ্রমিকরা। শুধু তাই নয় অন্যান্য যান চলাচলেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন তারা। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড, সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল ও কাঁচপুরে দেখা গেছে শ্রমিকরা বিভিন্ন পরিবহনের বাস সড়কে ফেলে রেখে যান চলাচল বন্ধ করে সড়কে অবস্থান নিয়েছেন।

শ্রমিকরা জানান, এ আইন প্রত্যাহার করা না হলে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে না। বন্ধন পরিবহণের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী জানান, সকাল থেকেই বাস বন্ধ রয়েছে। মূলত এটি শ্রমিকদের পক্ষ থেকে ধর্মঘট এখানে মালিকপক্ষের কোনো কিছু নেই।

জেলা ট্রাফিক পুলিশের টিআই (প্রশাসন) মোল্যা তাসনিম মোল্লা জানান, ঢাকার অংশে যানবাহন প্রবেশ ও বের হওয়া বন্ধ করে দিয়েছে শ্রমিকরা। সাইনবোর্ড এলাকাতে তারা এ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। এ ছাড়া বাকি সড়কগুলোতে যানবাহন চলছে তবে কম।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান