ইমার্জিং টিমস এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশকে ৩০২ রানের বড় লক্ষ্য দিয়েছে পাকিস্তান।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে শনিবার আগে ব্যাট করতে নেমে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩০১ রান করে পাকিস্তান। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ১১৩ রান করেন রোহাইল নাজির।
সকালে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। বোলিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল ভালো। ষষ্ঠ ওভারে উমাইর ইউসুফকে (৪) ফিরিয়ে ১৮ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন সুমন খান।
অষ্টম ওভারে আরেক ওপেনার হায়দার আলীকেও ফেরান তরুণ পেসার সুমন। ২৩ বলে ৩ চার ও এক ছক্কায় ২৬ রান করা হায়দারের ক্যাচ নেন নাঈম শেখ। ৪১ রানের মধ্যে পাকিস্তান হারায় দুই ওপেনারকে।
এরপর অবশ্য প্রতিরোধ গড়েন রোহাইল নাজির ও ইমরান রফিক। তৃতীয় উইকেট জুটিতে এই দুজন যোগ করেন ১১৭ রান। ৮৮ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৬২ রান করা রফিককে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন অফ স্পিনার মেহেদী হাসান।
নাজির তুলে নেন সেঞ্চুরি। তাকে থামান হাসান মাহমুদ। ১১১ বলে ১২ চার ও ৩ ছক্কায় নাজির করেন ১১৩ রান। ২৪৩ রানে তার বিদায়ের পর পাকিস্তানকে তিনশর ঠিকানায় নিয়ে যান সাউদ শাকিল, খুশদিল শাহ ও আমাদ বাট।
বাংলাদেশের ফিল্ডারদের ক্যাচ মিস ও বাজে ফিল্ডিংয়ে শেষ ৫ ওভারে পাকিস্তান তোলে ৫৬ রান। এর মধ্যে ১৩ রান আসে সুমনের করা শেষ ওভার থেকে। চতুর্থ বলে ছক্কা হাঁকানোর পর শেষ বলে চার মেরে তিনশ পার করেন বাট।
পাকিস্তানের অধিনায়ক শাকিল ৪০ বলে করেন ৪২ রান, খুশদিল ১৬ বলে ২৭, আর বাট ৭ বলে ১৫ রানে অপরাজিত ছিলেন।
বাংলাদেশের হয়ে সুমন ৩ উইকেট নিলেও ১০ ওভারে খরচ করেন ৭৫ রান। ৫২ রানে ২ উইকেট নেন হাসান। ৩৯ রানে একটি উইকেট মেহেদীর। সেমিফাইনালে ৩ উইকেট নেওয়া সৌম্য সরকার এদিন ১০ ওভারে ৭৬ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন।
টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতকে ৩ রানে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে পাকিস্তান। আর দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আফগানিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এই টুর্নামেন্টের ফাইনালের টিকিট পায় বাংলাদেশ। ফাইনালের আগে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের কেউ হারেনি, জিতেছে নিজেদের চারটি করে ম্যাচেই।
মূলত অনূর্ধ্ব-২৩ টুর্নামেন্ট হলেও এর বেশি বয়সি চারজন খেলোয়াড় খেলানোর নিয়ম আছে। বাংলাদেশের হয়ে খেলছেন তাই সৌম্য সরকার। খেলছেন ইয়াসির আলী রাব্বী, মেহেদী হাসানও ।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ






















