ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল। কাতারের খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে বুধবার রাতে সেমিফাইনাল ম্যাচে তারা ২-১ গোলে হারিয়েছে মেক্সিকোর ক্লাব সি.এফ. মন্টেরিকে।
শনিবার ফাইনালে ব্রাজিলের ক্লাব ফ্লেমেঙ্গোর মুখোমুখি হবে জার্গেন ক্লপের শিষ্যরা।
মেক্সিকোর ক্লাবটির বিপক্ষে ম্যাচের ১২ মিনিটেই লিড নেয় লিভারপুল। এ সময় মোহাম্মদ সালাহ ডি বক্সের সামনে বল পেয়ে যান। তিনি বক্সের মধ্যে বল বাড়িয়ে দেন নাবি কেইটাকে লক্ষ্য করে। কেইটা বক্সের ভেতরে ঢুকে বলের নিয়ন্ত্রণ নেন। তার সামনে তখন কেবল মন্টিরির গোলরক্ষক মার্সেলো বারেভেরো। তাকে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান কেইটা (১-০)।
তবে বেশিক্ষণ তারা এগিয়ে থাকতে পারেনি। ১৪ মিনিটের মাথায়ই সমতা ফেরায় মন্টেরি। এ সময় বামদিক থেকে শট নেন জেসাস গালার্দো। তার নেওয়া শট লিভারপুলের গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার ফিরিয়ে দেন। কিন্তু বল পেয়ে যান রোগেলিও ফানেস মরি। তিনি বল জালে পাঠাতে ভুল করেননি (১-১)।
এই সমতা নিয়ে শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা। দ্বিতীয়ার্ধের ৪৫ মিনিটেও ভাঙে না সমতা। ৯০+১ মিনিটের মাথায় লিভারপুলের ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হন ৮৫ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামা ব্রাজিলিয়ান রবার্তো ফিরমিনো। এ সময় বক্সের ডানদিক থেকে পেছনে থাকা ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার আর্নল্ডকে বল বাড়িয়ে দেন সালাহ। আর্নল্ড বল পেয়েই ফিরমিনোর দিকে বাড়িয়ে দেন। তার ক্রসে পা লাগিয়ে বলের গতিপথ কিছুটা বদলে দেন ফিরমিনো। মন্টেরির গোলরক্ষক মার্সেলো বারেভেরোর ডানপাশ দিয়ে বল জালে প্রবেশ করে।
অবশ্য দুর্ভাগ্য বলতে হবে মন্টিরের। কারণ, তারা বেশ গোছানো ফুটবল খেলেও জয় পায়নি। গোলপোস্টের নিচে যখন অ্যালিসন বেকারের মতো গোলরক্ষক থাকে তখন মন্টেরির মতো ক্লাবগুলোকে স্বপ্নভঙ্গের হতাশা নিয়েই ফিরতে হয়।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান


























