০৯:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

করাচি টেস্ট পাকিস্তানের কাছে পাত্তাই পেল না শ্রীলঙ্কা

করাচি টেস্ট স্বাগতিক পাকিস্তানের কাছে পাত্তাই পেল না শ্রীলঙ্কা। জয়ের জন্য পঞ্চম ও শেষ দিনে লঙ্কানদের প্রয়োজন ছিল ২৬৪ রান। হাতে ছিল ৩ উইকেট। কিন্তু সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) স্কোর বোর্ডে কোনও রান যোগই করতে পারল না সফরকারিরা। ফলে ২৬৩ রানে বিশাল জয় পেল আজহার আলীর দল।

চার ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩ উইকেটে ৫৫৫ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে পাকিস্তান। এতে ম্যাচ জয়ের জন্য ৪৭৬ রানের টার্গেট পায় শ্রীলঙ্কা। সেই লক্ষ্যে খেলতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে সফরকারীদের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ২১২ রান।

ম্যাচ জিততে শেষ দিনে লঙ্কানদের প্রয়োজন ২৬৪ রান। হাতে ৩ উইকেট। কিন্তু এই তিন উইকেট কোনও কাজেই লাগল না শ্রীলঙ্কার। পঞ্চম দিনে স্কোর বোর্ডে কোনও রানই যোগ করতে পারল না সফরকারিরা। রানের খাতা খোলার আগেই এক এক করে সাজঘরে ফিরলেন লঙ্কার শেষ তিন ব্যাটসম্যান। ফলে ২৬৩ রানের বড় জয় পায় পাকিস্তান।

পাকিস্তানের নাসিম শাহ ১২.৫ ওভার বল করে মাত্র ৩০ রান ৫টি উইকেট শিকার করেন। ইয়াসির শাহ নেন ২টি উইকেট। এছাড়া শাহিন আফ্রিদি, মোহাম্মাদ আব্বাস ও হারিস সোহেল ১টি করে উইকেট নেন।

এর আগে দুই ওপেনার মাসুদ ও আবিদের সেঞ্চুরিতে তৃতীয় দিন শেষে ২ উইকেটে ৩৯৫ রান করেছিল পাকিস্তান। তাই ৮ উইকেট হাতে নিয়ে ৩১৫ রানে এগিয়েছিল পাকিস্তান। দিন শেষে আজহার ৫৭ ও বাবর ২২ রানে অপরাজিত ছিলেন।

চতুর্থ দিন এই দুজনও সেঞ্চুরি করেন। আজহার টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৬তম ও বাবর চতুর্থ সেঞ্চুরি হাঁকান। এই ম্যাচে যেন ২০০৭ সালের স্মৃতি ভেসে উঠে করাচিতে।

২০০৭ সালে মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে এক ইনিংসে ভারতের শীর্ষ ৪ ব্যাটসম্যানই সেঞ্চুরি করেছিলেন। দিনেশ কার্তিক ১২৯, ওয়াসিম জাফর ১৩৮, রাহুল দ্রাবিড় ১২৯ ও শচীন টেন্ডুলকার ১২২ রান করেন।

রেকর্ড গড়ে আজহার ১৩টি চারে ১৫৭ বলে ১১৮ রান করেন। আর বাবর ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৩১ বলে অপরাজিত ১০০ রান করেন। বাবরের সেঞ্চুরির পরই ইনিংস ঘোষণা করে পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কার কুমারা ১৩৯ রানে ২ উইকেট নেন।

প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান ১৯১ ও শ্রীলঙ্কা ২৭১ রান করেছিলো।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হিন্দুদের নিরাপত্তা কোনো দল নয়, রাষ্ট্র দেবে: ড. আতিক মুজাহিদ

করাচি টেস্ট পাকিস্তানের কাছে পাত্তাই পেল না শ্রীলঙ্কা

প্রকাশিত : ১২:২৯:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯

করাচি টেস্ট স্বাগতিক পাকিস্তানের কাছে পাত্তাই পেল না শ্রীলঙ্কা। জয়ের জন্য পঞ্চম ও শেষ দিনে লঙ্কানদের প্রয়োজন ছিল ২৬৪ রান। হাতে ছিল ৩ উইকেট। কিন্তু সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) স্কোর বোর্ডে কোনও রান যোগই করতে পারল না সফরকারিরা। ফলে ২৬৩ রানে বিশাল জয় পেল আজহার আলীর দল।

চার ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩ উইকেটে ৫৫৫ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে পাকিস্তান। এতে ম্যাচ জয়ের জন্য ৪৭৬ রানের টার্গেট পায় শ্রীলঙ্কা। সেই লক্ষ্যে খেলতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে সফরকারীদের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ২১২ রান।

ম্যাচ জিততে শেষ দিনে লঙ্কানদের প্রয়োজন ২৬৪ রান। হাতে ৩ উইকেট। কিন্তু এই তিন উইকেট কোনও কাজেই লাগল না শ্রীলঙ্কার। পঞ্চম দিনে স্কোর বোর্ডে কোনও রানই যোগ করতে পারল না সফরকারিরা। রানের খাতা খোলার আগেই এক এক করে সাজঘরে ফিরলেন লঙ্কার শেষ তিন ব্যাটসম্যান। ফলে ২৬৩ রানের বড় জয় পায় পাকিস্তান।

পাকিস্তানের নাসিম শাহ ১২.৫ ওভার বল করে মাত্র ৩০ রান ৫টি উইকেট শিকার করেন। ইয়াসির শাহ নেন ২টি উইকেট। এছাড়া শাহিন আফ্রিদি, মোহাম্মাদ আব্বাস ও হারিস সোহেল ১টি করে উইকেট নেন।

এর আগে দুই ওপেনার মাসুদ ও আবিদের সেঞ্চুরিতে তৃতীয় দিন শেষে ২ উইকেটে ৩৯৫ রান করেছিল পাকিস্তান। তাই ৮ উইকেট হাতে নিয়ে ৩১৫ রানে এগিয়েছিল পাকিস্তান। দিন শেষে আজহার ৫৭ ও বাবর ২২ রানে অপরাজিত ছিলেন।

চতুর্থ দিন এই দুজনও সেঞ্চুরি করেন। আজহার টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৬তম ও বাবর চতুর্থ সেঞ্চুরি হাঁকান। এই ম্যাচে যেন ২০০৭ সালের স্মৃতি ভেসে উঠে করাচিতে।

২০০৭ সালে মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে এক ইনিংসে ভারতের শীর্ষ ৪ ব্যাটসম্যানই সেঞ্চুরি করেছিলেন। দিনেশ কার্তিক ১২৯, ওয়াসিম জাফর ১৩৮, রাহুল দ্রাবিড় ১২৯ ও শচীন টেন্ডুলকার ১২২ রান করেন।

রেকর্ড গড়ে আজহার ১৩টি চারে ১৫৭ বলে ১১৮ রান করেন। আর বাবর ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৩১ বলে অপরাজিত ১০০ রান করেন। বাবরের সেঞ্চুরির পরই ইনিংস ঘোষণা করে পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কার কুমারা ১৩৯ রানে ২ উইকেট নেন।

প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান ১৯১ ও শ্রীলঙ্কা ২৭১ রান করেছিলো।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান