১২:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এলাকাভিত্তিক শস্যসংরক্ষণাগার কেন্দ্র খোলার দাবি

কৃষক যাতে ধানের ন্যায্যমূল্য পায়, সেজন্য এলাকাভিত্তিক শস্য সংরক্ষণাগার ও ক্রয় কেন্দ্র খোলার দাবি জানিয়েছে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) ও বারসিক নামক দুইটি সংগঠন। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘ধানের ন্যায্যমূল্য : সংকট ও প্রস্তাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, ‘বাংলাদেশের কৃষকদের শ্রমে-ঘামে উৎপাদিত ধানের বাজারমূল্য কম থাকায় কৃষকরা বর্তমানে দিশেহারা। প্রতিবছর লোকসান গুণে গুণে কৃষির ওপর দিনদিন আস্থা হারিয়ে ফেলছে কৃষকরা। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কৃষকদের অবদান, উৎপাদিত ধানের নায্যমূল নিশ্চিত করার জন্য ধানের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ জরুরি।’

তারা বলেন, “খাদ্য নিরাপত্তা শুধুমাত্র কৃষকের জীবন জীবিকার প্রশ্ন নয়। এটি বাংলাদেশের আপামর জনগণের জন‌্য প্রয়োজন। এই খাদ্য নিরাপত্তা উন্নয়নের বিকেন্দ্রীকরণ ঘটিয়ে শহরমূখী জস্রোত বন্ধকরে গ্রাম উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করতে পারে এবং তা অপরিহার্য।

‘ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ন, শিল্পায়ন আর নানাবিধ কারণে কৃষি জমির হ্রাস, কৃষি উপকরণের নানা সীমাবদ্ধতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত বিভিন্ন অভিঘাত মোকাবেলা করে এদেশের কৃষকরা দেশের চাহিদা অনুযায়ী ধানের উৎপাদন নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ১৪.২৩ শতাংশ যেখানে দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪০ শতাংশ জড়িত।”

পবা’র চেয়ারম্যান আবু নাসের খানের সভাপতিত্বে, সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বারসিকের পরিচালক সৈয়দ আলী বিশ্বাস, কৃষকনেতা ও সাবেক সাংসদ ছবি বিশ্বাস, পবার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আব্দুস সোবহান, কৃষক সমিতির উপদেষ্টা জামাল হায়দার মুকুল, হাওর অঞ্চলবাসীর সমন্বয়ক ড. হালিম দাদ খান, কৃষিবিদ এবিএম তৌহিদুল আলম, মো. জাহাঙ্গীর আলম, বাপা’র যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

অভিনেতা এরিক ডেন মারা গেছেন

এলাকাভিত্তিক শস্যসংরক্ষণাগার কেন্দ্র খোলার দাবি

প্রকাশিত : ০৭:৫৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯

কৃষক যাতে ধানের ন্যায্যমূল্য পায়, সেজন্য এলাকাভিত্তিক শস্য সংরক্ষণাগার ও ক্রয় কেন্দ্র খোলার দাবি জানিয়েছে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) ও বারসিক নামক দুইটি সংগঠন। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘ধানের ন্যায্যমূল্য : সংকট ও প্রস্তাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, ‘বাংলাদেশের কৃষকদের শ্রমে-ঘামে উৎপাদিত ধানের বাজারমূল্য কম থাকায় কৃষকরা বর্তমানে দিশেহারা। প্রতিবছর লোকসান গুণে গুণে কৃষির ওপর দিনদিন আস্থা হারিয়ে ফেলছে কৃষকরা। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কৃষকদের অবদান, উৎপাদিত ধানের নায্যমূল নিশ্চিত করার জন্য ধানের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ জরুরি।’

তারা বলেন, “খাদ্য নিরাপত্তা শুধুমাত্র কৃষকের জীবন জীবিকার প্রশ্ন নয়। এটি বাংলাদেশের আপামর জনগণের জন‌্য প্রয়োজন। এই খাদ্য নিরাপত্তা উন্নয়নের বিকেন্দ্রীকরণ ঘটিয়ে শহরমূখী জস্রোত বন্ধকরে গ্রাম উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করতে পারে এবং তা অপরিহার্য।

‘ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ন, শিল্পায়ন আর নানাবিধ কারণে কৃষি জমির হ্রাস, কৃষি উপকরণের নানা সীমাবদ্ধতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত বিভিন্ন অভিঘাত মোকাবেলা করে এদেশের কৃষকরা দেশের চাহিদা অনুযায়ী ধানের উৎপাদন নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ১৪.২৩ শতাংশ যেখানে দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪০ শতাংশ জড়িত।”

পবা’র চেয়ারম্যান আবু নাসের খানের সভাপতিত্বে, সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বারসিকের পরিচালক সৈয়দ আলী বিশ্বাস, কৃষকনেতা ও সাবেক সাংসদ ছবি বিশ্বাস, পবার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আব্দুস সোবহান, কৃষক সমিতির উপদেষ্টা জামাল হায়দার মুকুল, হাওর অঞ্চলবাসীর সমন্বয়ক ড. হালিম দাদ খান, কৃষিবিদ এবিএম তৌহিদুল আলম, মো. জাহাঙ্গীর আলম, বাপা’র যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান