১০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

মাত্র ৩ টাকায় ইফতার সামগ্রী, পটুয়াখালীর মৌকারণে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন পটুয়াখালীর মৌকারণ এলাকার ব্যবসায়ী আবুল কালাম মাঝি। মাত্র ৩ টাকার বিনিময়ে তিনি বিক্রি করছেন ইফতার সামগ্রী, যা ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

জানা গেছে, তার দোকানে পেঁয়াজু, আলুর চপ, বেগুনি, জিলাপি, বুট, মুড়িসহ হরেক রকমের ইফতার আইটেম সুলভ মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে। বাজারে যখন রমজানকে ঘিরে নৃত্যপুর্ণের চাহিদা বাড়ে তখন অনেক সময় অসাধু ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত লাভের আশায় দাম বাড়িয়ে দেন, ঠিক তখনই আবুল কালাম মাঝির এমন উদ্যোগ যেন মৌকরন এলাকায় এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

আবুল কালাম মাঝি জানান, পুরো রমজান মাসজুড়ে তিনি এভাবেই স্বল্প মূল্যে ইফতার সামগ্রী বিক্রি করবেন। তিনি বলেন, “রমজান মাসে সবাই যেন স্বাচ্ছন্দ্যে ইফতার করতে পারে, সেই চিন্তা থেকেই আমার এই আয়োজন। লাভ কম হলেও তিনি মানুষের পাশে থাকতে চান।

মৌকারণ এলাকার সাধারণ মানুষ তার এ এই উদ্যোগে সাধুবাদ জানিয়ে। ক্রেতারা বলছেন, অল্প মূল্যে ভালো মানের ইফতারি পেয়ে তারা খুশি। অনেকেই মনে করছেন, এমন উদ্যোগ অন্য ব্যবসায়ীদের জন্যও অনুকরণীয় হতে পারে। রমজানের এই মানবিক উদ্যোগ ইতোমধ্যে স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত এবং সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তির এক মাধ্যম হয়ে উঠেছে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাসভাড়া কত বাড়বে জানা যাবে বৃহস্পতিবার

মাত্র ৩ টাকায় ইফতার সামগ্রী, পটুয়াখালীর মৌকারণে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

প্রকাশিত : ০৯:৩৯:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন পটুয়াখালীর মৌকারণ এলাকার ব্যবসায়ী আবুল কালাম মাঝি। মাত্র ৩ টাকার বিনিময়ে তিনি বিক্রি করছেন ইফতার সামগ্রী, যা ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

জানা গেছে, তার দোকানে পেঁয়াজু, আলুর চপ, বেগুনি, জিলাপি, বুট, মুড়িসহ হরেক রকমের ইফতার আইটেম সুলভ মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে। বাজারে যখন রমজানকে ঘিরে নৃত্যপুর্ণের চাহিদা বাড়ে তখন অনেক সময় অসাধু ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত লাভের আশায় দাম বাড়িয়ে দেন, ঠিক তখনই আবুল কালাম মাঝির এমন উদ্যোগ যেন মৌকরন এলাকায় এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

আবুল কালাম মাঝি জানান, পুরো রমজান মাসজুড়ে তিনি এভাবেই স্বল্প মূল্যে ইফতার সামগ্রী বিক্রি করবেন। তিনি বলেন, “রমজান মাসে সবাই যেন স্বাচ্ছন্দ্যে ইফতার করতে পারে, সেই চিন্তা থেকেই আমার এই আয়োজন। লাভ কম হলেও তিনি মানুষের পাশে থাকতে চান।

মৌকারণ এলাকার সাধারণ মানুষ তার এ এই উদ্যোগে সাধুবাদ জানিয়ে। ক্রেতারা বলছেন, অল্প মূল্যে ভালো মানের ইফতারি পেয়ে তারা খুশি। অনেকেই মনে করছেন, এমন উদ্যোগ অন্য ব্যবসায়ীদের জন্যও অনুকরণীয় হতে পারে। রমজানের এই মানবিক উদ্যোগ ইতোমধ্যে স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত এবং সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তির এক মাধ্যম হয়ে উঠেছে।

ডিএস./