কুয়াশার কারণে সড়কে যানবাহনের সংখ্যা কমে গেছে সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের অনেক জায়গায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি কোথাও বেশি আবার কোথাও গুঁড়ি-গুঁড়ি। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার সারাদিন আকাশ মেঘলা থাকবে।
বৃষ্টি হবে থেমে থেমে, কোথাও হালকা কোথাও ভারী। আজ শনিবারও একই অবস্থা থাকবে। ১ থেকে ২ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমতে পারে আজ শনিবার। রাজধানীর হাতিরঝিলে কুয়াশা আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান জানান, বৃষ্টি হলেও দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে তাপমাত্রা এখন বেশি। মেঘ আর কুয়াশার কারণে তাপমাত্রা কমেনি। তবে বাতাস থাকায় শীত আগের মতো অনুভূত হচ্ছে। তিনি বলেন, মেঘ কেটে গেলে তাপমাত্রা আরও নেমে যাবে।
যেসব এলাকায় এখন শৈত্যপ্রবাহ আছে সেসব জায়গায় এটি বিস্তার লাভ করতে পারে। তিনি বলেন, আজ বৃষ্টি হতে পারে। আগামীকাল শনিবার এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমতে পারে। শীতের কারণে ফুলের দোকানে কমে গেছে ক্রেতা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত যশোরে সর্বোচ্চ ১৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা বিভাগের প্রায় সব জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে। ঢাকায় ৫, টাঙ্গাইলে ৫, ফরিদপুরে ৯, মাদারীপুরে ৪, গোপালগঞ্জে ৯, কিশোরগঞ্জের নিকলীতে ৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে সীতাকুণ্ডে ১০, কুমিল্লায় ৮ ও চাঁদপুরে ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
এছাড়া অন্য জেলাগুলোতেও বৃষ্টি হয়েছে। পাবনার ঈশ্বরদীতে ৩, খুলনা ও মোংলায় ৮, পটুয়াখালীতে ৮ ও বরিশালে ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। শীতে রাজধানীতে যানচলাচল কম বৃষ্টি হলেও শুক্রবার তাপমাত্রা খুব একটা কমেনি। শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেতুঁলিয়ায় ৯ দশমিক ২ যা গত বৃহস্পতিবার তুলনায় বেশি। গত বৃহস্পতিবার ছিল ৫ দশমিক ৭। এদিকে ঢাকায় শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ দশমিক ২ যা গত বৃহস্পতিবার ছিল ১২ দশমিক ৫।
এছাড়া শুক্রবার ময়মনসিংহে ১২ দশমিক ৫ যা গত বৃহস্পতিবার ছিল ৯ দশমিক ৪, চট্টগ্রামে শুক্রবার তাপমাত্রা একই আছে (১৩ দশমিক ৫), সিলেটে ১৩ দশমিক ২, গত বৃহস্পতিবার ছিল ১২ দশমিক ৪, রাজশাহীতে ১১ দশমিক ৮, গত বৃহস্পতিবার ছিল ১০, রংপুরে ১১ দশমিক ৫, গত বৃহস্পতিবার ছিল ৯ দশমিক ৫, খুলনায় কমে ১২ দশমিক ৮, গত বৃহস্পতিবার ছিল ১৪ এবং বরিশালে ১৩ দশমিক ২ যা গত বৃহস্পতিবার ছিল ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।






















