০৩:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নতুন বছরে মন্ত্রীসভায় রদবদল!

দল ও সরকারকে আলাদা করার লক্ষ্য নিয়ে আওয়ামী লীগের নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির বর্ষিয়ান একজন নেতা। সেই বিবেচনায় নতুন কমিটিতে জায়গা পাওয়া এমন ক’জন মন্ত্রী সরকারের মন্ত্রীসভায় তাদের পদ হারাতে পারেন বলে আভাস মিলেছে।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, নতুন বছরে মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে। তবে এ বিষয়টি নিয়ে এখনও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলাপ হয়নি। দলীয় কমিটি নিয়েই ব্যস্ত আছি। তবে পুরো বিষয়টির এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর। তার সঙ্গে আলাপ হলেই বলতে পারব।

এদিকে ক্ষমতাসীন দলের একাধিক নীতিনির্ধারক প্রায় একই ধরনের তথ্য দিয়ে বলেন, রদবদলে মন্ত্রিসভার আকার বাড়তে পারে। এ সংখ্যা বেড়ে ৪৮ থেকে ৫৮ পর্যন্ত হতে পারে। সেখানে আসতে পারে একাধিক নতুন মুখ, যারা আগে কখনও মন্ত্রিসভায় ছিলেন না।

পাশাপাশি আগে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী ছিলেন-এমন নেতাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। দফতর পরিবর্তন হতে পারে বর্তমান মন্ত্রিসভার কোনো কোনো সদস্যের। এছাড়া কয়েকজন প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রীর পদোন্নতি হতে পারে, যাদের প্রয়োজনীয় যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও দলীয় কোনো পদে রাখা হয়নি।

অন্যদিকে বর্তমান মন্ত্রিসভার যেসব সদস্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিতে ব্যর্থ হয়েছেন অথবা কোনো অপকর্মের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত আছেন, তাদের জন্য রয়েছে ‘অশনিসংকেত’। ইতিমধ্যে এমন কয়েকজনের আমলনামা প্রধানমন্ত্রীর হাতে পৌঁছেছে। তারা বাদের তালিকায় আছেন বলেও জানান ওই নীতিনির্ধারকরা।

আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম প্রেসিডিয়ামের সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, দীর্ঘদিন থেকে আমাদের দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান দল ও সরকার আলাদা রাখতে।

প্রসঙ্গত, ৪৮ সদস্যবিশিষ্ট বর্তমান মন্ত্রিসভায় পূর্ণ মন্ত্রী ২৫, প্রতিমন্ত্রী ১৯ ও উপমন্ত্রী ৩ জন রয়েছেন। এই মুহূর্তে আটটি মন্ত্রণালয়ে পূর্ণ মন্ত্রী নেই।

সেগুলো হচ্ছে-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এছাড়া

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে আছে জনপ্রশাসন এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। এসব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন মন্ত্রিসভায় যারা নতুন যোগ হবেন অথবা যারা পদোন্নতি পাবেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

অভিনেতা এরিক ডেন মারা গেছেন

নতুন বছরে মন্ত্রীসভায় রদবদল!

প্রকাশিত : ০১:০৮:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯

দল ও সরকারকে আলাদা করার লক্ষ্য নিয়ে আওয়ামী লীগের নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির বর্ষিয়ান একজন নেতা। সেই বিবেচনায় নতুন কমিটিতে জায়গা পাওয়া এমন ক’জন মন্ত্রী সরকারের মন্ত্রীসভায় তাদের পদ হারাতে পারেন বলে আভাস মিলেছে।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, নতুন বছরে মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে। তবে এ বিষয়টি নিয়ে এখনও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলাপ হয়নি। দলীয় কমিটি নিয়েই ব্যস্ত আছি। তবে পুরো বিষয়টির এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর। তার সঙ্গে আলাপ হলেই বলতে পারব।

এদিকে ক্ষমতাসীন দলের একাধিক নীতিনির্ধারক প্রায় একই ধরনের তথ্য দিয়ে বলেন, রদবদলে মন্ত্রিসভার আকার বাড়তে পারে। এ সংখ্যা বেড়ে ৪৮ থেকে ৫৮ পর্যন্ত হতে পারে। সেখানে আসতে পারে একাধিক নতুন মুখ, যারা আগে কখনও মন্ত্রিসভায় ছিলেন না।

পাশাপাশি আগে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী ছিলেন-এমন নেতাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। দফতর পরিবর্তন হতে পারে বর্তমান মন্ত্রিসভার কোনো কোনো সদস্যের। এছাড়া কয়েকজন প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রীর পদোন্নতি হতে পারে, যাদের প্রয়োজনীয় যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও দলীয় কোনো পদে রাখা হয়নি।

অন্যদিকে বর্তমান মন্ত্রিসভার যেসব সদস্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিতে ব্যর্থ হয়েছেন অথবা কোনো অপকর্মের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত আছেন, তাদের জন্য রয়েছে ‘অশনিসংকেত’। ইতিমধ্যে এমন কয়েকজনের আমলনামা প্রধানমন্ত্রীর হাতে পৌঁছেছে। তারা বাদের তালিকায় আছেন বলেও জানান ওই নীতিনির্ধারকরা।

আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম প্রেসিডিয়ামের সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, দীর্ঘদিন থেকে আমাদের দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান দল ও সরকার আলাদা রাখতে।

প্রসঙ্গত, ৪৮ সদস্যবিশিষ্ট বর্তমান মন্ত্রিসভায় পূর্ণ মন্ত্রী ২৫, প্রতিমন্ত্রী ১৯ ও উপমন্ত্রী ৩ জন রয়েছেন। এই মুহূর্তে আটটি মন্ত্রণালয়ে পূর্ণ মন্ত্রী নেই।

সেগুলো হচ্ছে-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এছাড়া

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে আছে জনপ্রশাসন এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। এসব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন মন্ত্রিসভায় যারা নতুন যোগ হবেন অথবা যারা পদোন্নতি পাবেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান