ডাকাতি করতে এসে একজন প্রহরীকে উঠিয়ে নিয়ে হাত পা বেঁধে অদুরে ফেলে দেয় এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও চার্জার লাইট নিয়ে যায়। অাবার কিছুক্ষণ পর ডাকাত দল পুনরায় বাজারে এসে পিকআপ ভ্যান থেকে নেমে ব্যাটারীর দোকানের দিকে গেলে বাজারের অন্যান্য নৈশ প্রহরী ডাকাতদের বাধা দিলে ডাকাত সদস্যরা লাল মিয়া নামক এক প্রহরীকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। এ ঘটনাটি ঘটেছিল ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বৈলর বাজারস্থ একটি ব্যাটারির দোকানে।
রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন ত্রিশাল উপজেলার বৈলরে নৈশ প্রহরী লাল মিয়া হত্যাকান্ড রহস্যর উদঘাটনে সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান। এসময় সার্কেল এএসপি আল আমিন,জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি শাহ কামাল আকন্দ, কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মাহমুদুল ইসলামসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্হিত ছিলেন।
ত্রিশাল থানায় গত ১৫ অাগষ্ট একটি হত্যা ও ডাকাতি মামলা রুজু হয় যার নং ১৪, ধারা – ৩৯৬ পেনাল কোড ।
ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখা মামলাটি দীর্ঘ তদন্তে গত ২৭ ডিসেম্বর ঢাকা বাড্ডা থেকে ভিকটিমের লুন্ঠিত মোবাইল ফোন উদ্বার করে এবং ঘটনায় জড়িত দুইজন ডাকাত শরীয়তপুর জেলার গুসাইহাট থানা এলাকা থেকে আলমগীর মাতাব্বরের ছেলে মো: রাজু মাতাব্বর(২১) এবং হাজী ইউসুফ খানের ছেলে মো: রিপন খান জাফরকে (২৩) গ্রেফতার করে।
ডাকাতির ঘটনায় পিকআপ ভ্যান, হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত কাঠের লাঠি উদ্বার করা হয়।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















