২০২০ সালের প্রথম দিন সারাদেশের ন্যায় বরিশালেও বই উৎসব উদযাপিত হবে। এ দিন বিভাগটির ছয় জেলার প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থী বই উৎসবে মাতবেন। নবমবারের মতো বই উৎসবের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থীরা।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় প্রার্থমিক, মাধ্যমিক, ইবতেদায়ী, দাখিল, ভোকেশনাল-কারিগরি পর্যায়ে দুই কোটি ২২ লাখ ১২ হাজার ১২১ টি নতুন বই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হবে।
যা গ্রহণ করবে প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে শুধু মাধ্যমিক স্তরেই রয়েছে ১৩ লাখ ৩৭ হাজার ৪১২ শিক্ষার্থী। বাকিরা প্রাথমিক ও প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষার্থী।
এছাড়া বিভাগের ছয় জেলায় মাধ্যমিক স্তর ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা ভার্সনে এক কোটি এক লাখ ১১ হাজার ২২৭টি ইংরেজি ভার্সনে ১০ হাজার ১২৭ টি বই এবং দাখিলে ৪০ লাখ ৭৪ হাজার ৮৭৬টি বইয়ের চাহিদা রয়েছে।
তাছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল (নবম শ্রেণি) এর জন্য দুই লাখ ৫৯ হাজার ৩৯৬ টি, দাখিল ভোকেশনালে (নবম শ্রেণি) তিন হাজার ৭০০টি এবং এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালের (ট্রেড) জন্য ৯৩ হাজার ১৮৮ টি বইয়ের চাহিদা রয়েছে। এর বাইরে ইবতেদায়ী (প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত) ২২ লাখ ৬০ হাজার ৫৮৮ টি বইয়ের চাহিদা রয়েছে।
অপরদিকে বিভাগের ছয় জেলায় প্রাথমিক স্তরে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৫১ লাখ ৯৭ হাজার ১৮৫ টি এবং প্রাক-প্রাথমিকে এক লাখ ৯৪ হাজার ৩৮৫টি বইয়ের চাহিদা রয়েছে। এর বাইরে ইংরেজি ভার্সনে চাহিদা রয়েছে সাত হাজার ৪৪৯টি বইয়ের। এরইমধ্যে বরিশাল বিভাগের প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের সব বিদ্যালয়ে বই পৌঁছে গেছে।
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের আঞ্চলিক উপ-পরিচালক মো. মোকছেদুল ইসলাম বলেন, ১ জানুয়ারি বই উৎসব করতে সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। বিভাগের চাহিদা অনুযায়ী সব বই শতভাগ স্কুলে পৌঁছে গেছে।
তিনি আরো বলেন, বই বিতরণে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের সুযোগ নেই। বই দিয়ে এক টাকা নেয়ার অভিযোগ পেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে অভিভাবকসহ সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
মোকছেদুল ইসলাম আরো বলেন, বরিশাল সরকারি জিলা স্কুল ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বই উৎসব করব। উৎসবে জনপ্রতিনিধিসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আরিফ বিল্লাহ জানান, নিয়মানুযায়ী সব উপজেলায় বছরের প্রথম দিনে বই উৎসব আয়োজনের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বই সময় মতো সব বিদ্যালয়ে পৌঁছে গেছে। এখনো কোনো উপজেলা থেকে বই না পাওয়ার অভিযোগ আসেনি।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান




















