১১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এলাকায় আতঙ্ক, জ্বরে এক পরিবারের দুজনের মৃত্যু

মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয় উপজেলায় হঠাৎ অসুস্থতায় শিশুসহ একই পরিবারের দুজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার উপজেলার জসলদিয়া এলাকায় ১৭ ঘণ্টার ব্যবধানে ওই দুজনের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন, জসলদিয়া গ্রামের মীর সোহেলের ছেলে মীর আবদুর রহমান (৩) ও সোহেলের ভাবি শামীমা বেগম (৩৪)।

এ ঘটনায় পর সোমবার সকালে সিভিল সার্জন অফিস ও উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মেডিকেল টিম পাঠানো হয়। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

মুন্সিগঞ্জ সিভিল সার্জন আবুল কালাম আজাদ জানান, লক্ষ্মণ দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি করোনাভাইরাস নয়।এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। এ ছাড়া ওই এলাকায় এমন রোগী আর আছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিহতের স্বজনদের দাবি, দুজনই হঠাৎ করে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। অল্প সময়ের মধ্যে একই পরিবারের দুজনের মৃত্যুতে ওই এলাকার মানুষের আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এই মৃত্যুকে করোনাভাইরাস জনিত অসুস্থতা বলে উল্লেখ করেছেন।

শামীমার দেবর মীর মো. শিবলু জানান, তার ভাবি গত শনিবার সকালে শরীরে জ্বর অনুভব করছিলেন। দুপুরে জ্বরের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। রাতে জ্বর আরও বাড়ে। একই সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অংশে চাক চাক রক্তের দাগ সদৃশ কিছু দৃশ্যমান হয়। রোববার সকাল ৯টার দিকে সে মারা যায়।

শিশু আবদুর রহমানের মা পপি আক্তার বলেন, আমার জা শামীমাকে রোববার বিকেলে দাফন করা হয়। সে সময় থেকে ছেলের জ্বর শুরু হয়। শামীমার শরীরে যেসব লক্ষ্মণ দেখা দিয়েছিল। একই রকম লক্ষ্মণ আমার ছেলের শরীরেও দেখা দেয়। কোনো রকম চিকিৎসা দেওয়ার আগেই রাত দুইটার দিকে ছটফট করতে করতে মারা যায়।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

জনদুর্ভোগ নয় স্বাভাবিক চলাচল চান প্রধানমন্ত্রী, আইজিপিকে কড়া নির্দেশ

এলাকায় আতঙ্ক, জ্বরে এক পরিবারের দুজনের মৃত্যু

প্রকাশিত : ০৭:৪১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২০

মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয় উপজেলায় হঠাৎ অসুস্থতায় শিশুসহ একই পরিবারের দুজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার উপজেলার জসলদিয়া এলাকায় ১৭ ঘণ্টার ব্যবধানে ওই দুজনের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন, জসলদিয়া গ্রামের মীর সোহেলের ছেলে মীর আবদুর রহমান (৩) ও সোহেলের ভাবি শামীমা বেগম (৩৪)।

এ ঘটনায় পর সোমবার সকালে সিভিল সার্জন অফিস ও উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মেডিকেল টিম পাঠানো হয়। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

মুন্সিগঞ্জ সিভিল সার্জন আবুল কালাম আজাদ জানান, লক্ষ্মণ দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি করোনাভাইরাস নয়।এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। এ ছাড়া ওই এলাকায় এমন রোগী আর আছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিহতের স্বজনদের দাবি, দুজনই হঠাৎ করে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। অল্প সময়ের মধ্যে একই পরিবারের দুজনের মৃত্যুতে ওই এলাকার মানুষের আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এই মৃত্যুকে করোনাভাইরাস জনিত অসুস্থতা বলে উল্লেখ করেছেন।

শামীমার দেবর মীর মো. শিবলু জানান, তার ভাবি গত শনিবার সকালে শরীরে জ্বর অনুভব করছিলেন। দুপুরে জ্বরের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। রাতে জ্বর আরও বাড়ে। একই সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অংশে চাক চাক রক্তের দাগ সদৃশ কিছু দৃশ্যমান হয়। রোববার সকাল ৯টার দিকে সে মারা যায়।

শিশু আবদুর রহমানের মা পপি আক্তার বলেন, আমার জা শামীমাকে রোববার বিকেলে দাফন করা হয়। সে সময় থেকে ছেলের জ্বর শুরু হয়। শামীমার শরীরে যেসব লক্ষ্মণ দেখা দিয়েছিল। একই রকম লক্ষ্মণ আমার ছেলের শরীরেও দেখা দেয়। কোনো রকম চিকিৎসা দেওয়ার আগেই রাত দুইটার দিকে ছটফট করতে করতে মারা যায়।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান