আর মাত্র তিনদিন পরেই শুরু হচ্ছে একুশে বইমেলা। আর এ বইমেলাকে কেন্দ্র করে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বইমেলাসহ আশপাশের সড়কে ক্লোজ সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরা বসানো হয়েছে। পুরো বইমেলা এই ক্যামেরা দিয়ে মনিটরিং করা হবে। নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হবে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মেলা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন শেষে ডিএমপি কমিশনার সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।
তিনি বলেন, টিএসসি ও দোয়েল চত্বর দিয়ে মেলায় প্রবেশ করা যাবে। আগতদের আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। তল্লাশিতে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকবে। ডিএমপি ও সিটি এসবির সদস্যরা মেলা ও আশপাশে অবস্থান করবেন। মেলায় মোটরসাইকেল টহল থাকবে।
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এ ধরনের বই নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কীভাবে কাজ করবে এমন প্রশ্নের জবাবে শফিকুল ইসলাম বলেন, এটি অনেক কঠিন কাজ। আমরা বাংলা একাডেমিকে অনুরোধ করেছি, এসব বই যেন প্রকাশে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হয়। প্রতিটা বই বাংলা একাডেমি অথবা পুলিশ পড়ে দিতে পারলে ভালো হতো। তবে সে সুযোগ নেই।
আমরা চাইনা বই পড়ে মানুষের মনে আঘাত কিংবা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হোক। এ ধরণের কোনো বই প্রকাশ হলে পুলিশকে জানানোর অনুরোধ জানান তিনি।
আসন্ন ঢাকা সিটি নির্বাচনের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন ঘিরে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলেও নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। গত এক মাস ধরে ঢাকায় নিরিবচ্ছিন্নভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চলছে। দু’-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়নি।
নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, এক মাসের প্রস্তুতিতে সাধারণ মানুষের বার্তা পাওয়ার কথা যে নির্বাচন আনন্দমুখর ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যাশা করছি, প্রার্থীরা যদি সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখে, তাহলে পুলিশের পক্ষ থেকে কথা দিতে পারি প্রতিটি নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য ডিএমপি প্রস্তুত।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান












