বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। আজ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার পর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেন তিনি।
তারেক রহমানকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পাঠ করান।
একই অনুষ্ঠানে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ নেবেন।
এর আগে, সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।সাধারণত বঙ্গভবনের দরবার হলে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হলেও এবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনুষ্ঠানটি হচ্ছে সংসদ ভবনের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে।
জানা গেছে, আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে৷
প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি জোট ২১২টি আসনে জয় পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এটি দেশের ইতিহাসে দলটির ষষ্ঠবারের মতো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন।
অন্যদিকে ৬৮টি আসন নিয়ে সংসদের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির সংসদীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথমে এমপি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। পরে শপথ নেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্য জোট থেকে বিজয়ী প্রার্থীরা। এবার নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা গঠনের পালা। এরইমধ্যে অনেকে মন্ত্রিসভার শপথে অংশ নিতে ফোন পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
ডিএস./



















