নির্বাচনের দিন ঢাকার আকাশে হেলিকপ্টারে টহল দেবে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনে এই টহল দেয়া হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর কার কি কাজ সেটা ভাগ করে দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে র্যাব মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। এছাড়াও একই দায়িত্বে থাকবে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), ব্যাটালিয়ন আনসার ও বিজিবি।
র্যাবসহ সবগুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তা রক্ষায় এখন মাঠে। র্যাবের ১৩০টি টিম এরইমধ্যে মাঠে কাজ শুরু করেছে। চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করা ছাড়াও নির্বাচনের দিন পুলিশের বিশেষায়িত এ ইউনিটটি ভোটকেন্দ্র, ভোটার ও সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তায় কাজ করবে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে এক হাজার ৩১৮টি ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে এক হাজার ১৫০টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে।
র্যাবের প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়, মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে তারা নির্বাচনি এলাকায় সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করবে। রিটার্নিং অফিসার তাদের সহায়তা চাইলে পুলিশসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহায়তা দেবে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনে তারা হেলিকপ্টার ব্যবহার করবে।
নির্বাচনী এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোর ইভিএম এবং ইভিএমের কারিগরি সহায়তায় নিয়োজিত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও দায়িত্বে থাকা অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করবে। তবে রিটার্নিং অফিসার ও প্রিজাইডিং অফিসারের চাহিদা ছাড়া ভোটকেন্দ্রের ভেতরে কিংবা ভোট গণনা কক্ষে কোনো দায়িত্ব পালন করতে পারবে না র্যাব।
নির্বাচনী মাঠে র্যাবের কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে র্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার-বিন-কাশেম বলেন, নির্বাচনী মাঠের সার্বিক নিরাপত্তায় যা যা প্রয়োজন র্যাব সবকিছুই করবে।
প্রয়োজনে নির্বাচনের দিন ছাড়াও আগে ও পরে হেলিকপ্টারে র্যাব টহল দেবে। আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। থাকবে কমান্ডো, বোম্ব ও ডগ স্কোয়াডও।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান












