০৭:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘জনগণর আস্থা অর্জনই ডিএমপির একমাত্র লক্ষ্য’

ডিএমপি সদস্যদের জনতার পুলিশ হওয়ার আহবান জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেছেন, পুলিশের ওপর আস্থা রাখায় নগরবাসীকে ধন্যবাদ। জনগণের আস্থা অর্জনই ডিএমপির একমাত্র লক্ষ্য।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ৪৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে শনিবার বিকালে শোভাযাত্রা বের করার প্রাক্কালে ডিএমপি কমিশনার একথা বলেন। নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি পালিত হচ্ছে ডিএমপির প্রতিষ্ঠা দিবস।

ডিএমপি কমিশনার আরো বলেন, আমরা ৪৪ বছর ধরে চেষ্টা করেছি, জনতার পুলিশ হতে। বিশ্বাস ও ভালোবাসার চেয়ে বেশি একজন পুলিশ সদস্যের কিছু পাওয়ার থাকে না। আমরা চেষ্টা করেছি রাজধানীবাসীর বিশ্বাস ও ভালোবাসা অর্জন করতে। সেই লক্ষ্যেই আমাদের প্রত্যেকটি পুলিশ সদস্য কাজ করে যাচ্ছেন।

রাজধানীর প্রতিটি থানাকে জনগণের বিশ্বাস ও আস্থার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, মানুষ সেবার জন্য থানায় এসে ফেরার সময় যেন হাসিমুখে যায়।

ঢাকা শহরকে নিরাপদ রাখতে ডিএমপি সদস্যরা সাতদিনের ২৪ ঘণ্টাই কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা চেষ্টা করছি ঢাকার প্রত্যেকটি থানাকে বিশ্বাস ও আস্থার কেন্দ্রস্থল হিসেবে গড়ে তুলতে। আমরা চাই মানুষ সেবার জন্য থানায় আসবে, ফেরার সময় যেন হাসিমুখে ফিরে যায়।

‌‌‍‌শান্তি শপথে বলীয়ান এই মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে ডিএমপি জননিরাপত্তা বিধান ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করে আসছে। বাংলাদেশ পুলিশের বৃহৎ ইউনিট ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ১৯৭৬ সাল হতে জনবহুল রাজধানী ঢাকা মহানগরের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকারে নিরলসভাবে কাজ করছে।

প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং পেশাগত জ্ঞান অর্জনকে প্রাধান্য দিয়ে, সৃজনশীলতা এবং জন অংশীদারিত্বকে অন্যতম কার্যকৌশল হিসেবে গ্রহণ করে বহুমাত্রিক এ নগরের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা বিধানে সচেষ্ট ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।

দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স রাজারবাগে এক নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিকেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান প্রধান অতিথি ও জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন এবং আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার), বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার পৃথক বাণী দিয়েছেন।

বাণীতে তারা বলেন- বাংলাদেশ পুলিশের সর্ববৃহৎ ইউনিট ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এই ইউনিটের সদস্যরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। ডিএমপির সদস্যরা পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও আধুনিক প্রযু্ক্তির সমন্বয়ে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে একটি যুগোপযোগী, দক্ষ ও জনবান্ধব বাহিনীতে উন্নীত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। মাদক, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাফল্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে।

জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কমিউনিটি পুলিশিং, বিট পুলিশিং ও উঠান বৈঠকের মতো সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সরব উপস্থিতি পুলিশী সেবাকে নগরবাসীর দোরগোড়ায় নিয়ে গেছে।

প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে ডিএমপি সদর দপ্তর থেকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ছাড়াও বিভিন্ন ডকুমেন্টারি প্রদর্শনসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ডিএমপি।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ী হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

‘জনগণর আস্থা অর্জনই ডিএমপির একমাত্র লক্ষ্য’

প্রকাশিত : ০৮:৩৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০

ডিএমপি সদস্যদের জনতার পুলিশ হওয়ার আহবান জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেছেন, পুলিশের ওপর আস্থা রাখায় নগরবাসীকে ধন্যবাদ। জনগণের আস্থা অর্জনই ডিএমপির একমাত্র লক্ষ্য।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ৪৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে শনিবার বিকালে শোভাযাত্রা বের করার প্রাক্কালে ডিএমপি কমিশনার একথা বলেন। নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি পালিত হচ্ছে ডিএমপির প্রতিষ্ঠা দিবস।

ডিএমপি কমিশনার আরো বলেন, আমরা ৪৪ বছর ধরে চেষ্টা করেছি, জনতার পুলিশ হতে। বিশ্বাস ও ভালোবাসার চেয়ে বেশি একজন পুলিশ সদস্যের কিছু পাওয়ার থাকে না। আমরা চেষ্টা করেছি রাজধানীবাসীর বিশ্বাস ও ভালোবাসা অর্জন করতে। সেই লক্ষ্যেই আমাদের প্রত্যেকটি পুলিশ সদস্য কাজ করে যাচ্ছেন।

রাজধানীর প্রতিটি থানাকে জনগণের বিশ্বাস ও আস্থার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, মানুষ সেবার জন্য থানায় এসে ফেরার সময় যেন হাসিমুখে যায়।

ঢাকা শহরকে নিরাপদ রাখতে ডিএমপি সদস্যরা সাতদিনের ২৪ ঘণ্টাই কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা চেষ্টা করছি ঢাকার প্রত্যেকটি থানাকে বিশ্বাস ও আস্থার কেন্দ্রস্থল হিসেবে গড়ে তুলতে। আমরা চাই মানুষ সেবার জন্য থানায় আসবে, ফেরার সময় যেন হাসিমুখে ফিরে যায়।

‌‌‍‌শান্তি শপথে বলীয়ান এই মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে ডিএমপি জননিরাপত্তা বিধান ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করে আসছে। বাংলাদেশ পুলিশের বৃহৎ ইউনিট ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ১৯৭৬ সাল হতে জনবহুল রাজধানী ঢাকা মহানগরের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকারে নিরলসভাবে কাজ করছে।

প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং পেশাগত জ্ঞান অর্জনকে প্রাধান্য দিয়ে, সৃজনশীলতা এবং জন অংশীদারিত্বকে অন্যতম কার্যকৌশল হিসেবে গ্রহণ করে বহুমাত্রিক এ নগরের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা বিধানে সচেষ্ট ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।

দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স রাজারবাগে এক নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিকেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান প্রধান অতিথি ও জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন এবং আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার), বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার পৃথক বাণী দিয়েছেন।

বাণীতে তারা বলেন- বাংলাদেশ পুলিশের সর্ববৃহৎ ইউনিট ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এই ইউনিটের সদস্যরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। ডিএমপির সদস্যরা পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও আধুনিক প্রযু্ক্তির সমন্বয়ে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে একটি যুগোপযোগী, দক্ষ ও জনবান্ধব বাহিনীতে উন্নীত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। মাদক, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাফল্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে।

জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কমিউনিটি পুলিশিং, বিট পুলিশিং ও উঠান বৈঠকের মতো সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সরব উপস্থিতি পুলিশী সেবাকে নগরবাসীর দোরগোড়ায় নিয়ে গেছে।

প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে ডিএমপি সদর দপ্তর থেকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ছাড়াও বিভিন্ন ডকুমেন্টারি প্রদর্শনসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ডিএমপি।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান