১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ক্রাইস্টচার্চ বিভীষিকার এক বছর

২০১৯ সালের ১৫ মার্চ। দেখতে দেখতে এক বছর পার হতে চলেছে। তবে কী ঘটেছিল ওই দিন? মোটেও মনে করতে চান না মুশফিকুর রহিম। শুধু মুশফিক নন, ক্রাইস্টচার্চের আল নুর মসজিদের ভয়াবহ ঘটনাটির কথা ভুলে থাকতে চাইবেন সেদিন বাংলাদেশ দলের টিম বাসে থাকা ১৭-১৮ জন ক্রিকেটার-কোচিং স্টাফের সবাই।

গত বছরের এই সময়ে কিউইদের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ চলছিল বাংলাদেশ দলের। ১৬ মার্চ শুরুর কথা ক্রাইস্টচার্চ। রীতি অনুসারে খেলার আগের দিন হ্যাগলি ওভালে সংবাদ সম্মেলন করতে যান বাংলাদেশ দলের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ (চোটের কারণে সাকিব সফরে যাননি)। আনুষ্ঠানিক অনুশীলন দুপুর ২টায় হলেও লিটন দাস ও নাঈম হাসান ছাড়া বাকি সব খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফের সদস্যরাও চলে যান মাঠে।

তবে অধিনায়কের সংবাদ সম্মেলন একটু দীর্ঘায়িত হওয়ায় খানিকটা দেরি করে জুমা পড়তে মসজিদে রওনা দেয় বাংলাদেশ দলের টিম বাস। এক কিলোমিটার দূরের আল নুর মসজিদ চত্বরে পৌঁছতেই হামলার কবলে পড়ে যায় বাংলাদেশ। বাস থেকেই শোনা যায় ভেতরে গুলি চলছে। রক্তাক্ত শরীর নিয়ে দৌড়ে আসছেন কোনো কোনো মুসল্লি। ওই সময় ব্রেন্টন টেরান্ট নামের এক ব্যক্তি মসজিদের ভেতরে ঢুকে মুসল্লিদের লক্ষ্য করে টানা গুলি চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

আতঙ্কে, বিভীষিকায় মসজিদের মাত্র ৫০ গজ দূরে তখন বাংলাদেশ দলের টিম বাস। যে কোনো মুহূর্তে গুলি এসে মাথার খুলি উড়িয়ে দিতে পারে, এমন এক দমবন্ধ অবস্থা তখন। একপর্যায়ে বাসের ভেতরে মাথা নিচু করে শুয়ে পড়েন ক্রিকেটাররা। গুলির শব্দ থামার পর বাস থেকে নেমে পাশের পার্কের ভেতর দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে আসে বাংলাদেশ দল। এর পরদিনই নিউজিল্যান্ড ছেড়ে দেশে রওনা দেয় পুরো দল।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গুণীজনের অবমূল্যায়ন ও রাজনীতির সাংস্কৃতিক সংকট

ক্রাইস্টচার্চ বিভীষিকার এক বছর

প্রকাশিত : ০১:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২০

২০১৯ সালের ১৫ মার্চ। দেখতে দেখতে এক বছর পার হতে চলেছে। তবে কী ঘটেছিল ওই দিন? মোটেও মনে করতে চান না মুশফিকুর রহিম। শুধু মুশফিক নন, ক্রাইস্টচার্চের আল নুর মসজিদের ভয়াবহ ঘটনাটির কথা ভুলে থাকতে চাইবেন সেদিন বাংলাদেশ দলের টিম বাসে থাকা ১৭-১৮ জন ক্রিকেটার-কোচিং স্টাফের সবাই।

গত বছরের এই সময়ে কিউইদের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ চলছিল বাংলাদেশ দলের। ১৬ মার্চ শুরুর কথা ক্রাইস্টচার্চ। রীতি অনুসারে খেলার আগের দিন হ্যাগলি ওভালে সংবাদ সম্মেলন করতে যান বাংলাদেশ দলের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ (চোটের কারণে সাকিব সফরে যাননি)। আনুষ্ঠানিক অনুশীলন দুপুর ২টায় হলেও লিটন দাস ও নাঈম হাসান ছাড়া বাকি সব খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফের সদস্যরাও চলে যান মাঠে।

তবে অধিনায়কের সংবাদ সম্মেলন একটু দীর্ঘায়িত হওয়ায় খানিকটা দেরি করে জুমা পড়তে মসজিদে রওনা দেয় বাংলাদেশ দলের টিম বাস। এক কিলোমিটার দূরের আল নুর মসজিদ চত্বরে পৌঁছতেই হামলার কবলে পড়ে যায় বাংলাদেশ। বাস থেকেই শোনা যায় ভেতরে গুলি চলছে। রক্তাক্ত শরীর নিয়ে দৌড়ে আসছেন কোনো কোনো মুসল্লি। ওই সময় ব্রেন্টন টেরান্ট নামের এক ব্যক্তি মসজিদের ভেতরে ঢুকে মুসল্লিদের লক্ষ্য করে টানা গুলি চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

আতঙ্কে, বিভীষিকায় মসজিদের মাত্র ৫০ গজ দূরে তখন বাংলাদেশ দলের টিম বাস। যে কোনো মুহূর্তে গুলি এসে মাথার খুলি উড়িয়ে দিতে পারে, এমন এক দমবন্ধ অবস্থা তখন। একপর্যায়ে বাসের ভেতরে মাথা নিচু করে শুয়ে পড়েন ক্রিকেটাররা। গুলির শব্দ থামার পর বাস থেকে নেমে পাশের পার্কের ভেতর দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে আসে বাংলাদেশ দল। এর পরদিনই নিউজিল্যান্ড ছেড়ে দেশে রওনা দেয় পুরো দল।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর