গাজীপুরে করোনাভাইরাস সনাক্তকরণে এবং নগরবাসীর সুরক্ষায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব এডভোকেট মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ইতিমধ্যে বহুমুখী ও সর্বোত্তম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এসব পদক্ষেপের অংশ হিসেবে করোনা ভাইরাস সনাক্তকরণে চীন থেকে ৩০ হাজার কীট এবং ১০ লাখ মাস্ক ও ৮ হাজার পিপিআই ( বিশেষ গাউন) এনেছেন মেয়র । বিশেষ কার্গো বিমানে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে মেয়র গতকাল বিকেলে সিটি করপোরেশনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ও কাউন্সিলরদের নিয়ে সেগুলো রিসিভ করেন। গতকাল রাত থেকে এবং আজ মেয়র এগুলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে দেন। বিশেষ করে মেয়র ৭ হাজার পিপিআই (পার্সোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট) গাজীপুরের সিভিল সার্জনের হাতে তুলে দেন এবং করোনাভাইরাস থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষার জন্য গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সারাদিনব্যাপী মনিটর করেন।
মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভয়ংকর এ করোনাভাইরাস থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষিত রাখার জন্যই তিনি এইসব উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। শুধু নগরবাসীকেই নয়, পুরো জেলায় এসব জিনিস বিতরণ করা হচ্ছে।
সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলম আরো বলেন, ইতোমধ্যে মহানগরে ওয়ার্ডভিত্তিক ৬৩টি কমিটি গঠন সম্পন্ন হয়েছে। কোয়ারেন্টাইনে অবস্থান ব্যতীত কোনো প্রবাসী এলাকায় ঢুকে পড়লো কিনা, অপ্রয়োজনে কোনো নাগরিক রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজারে ঘোরাফেরা করছেন কিনা এসব মনিটর করবেন কমিটির সদস্যরা। ইতোমধ্যে মহানগরের দুই হাজার ৬০০ মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জিনকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। করোনাভাইরাস সম্পর্কে তারা মুসল্লি ও সাধারণ মানুষজনকে সচেতন করবেন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ৮০টি মাইকে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে বলে জানান মেয়র। গাজীপুর মহানগরের বিভিন্ন রাস্তা, হাট-বাজার ও মোড়ে পাঁচ হাজার প্লাস্টিকের অস্থায়ী বেসিন স্থাপন করা হয়েছে। ভাসমান মানুষ সেখানে হাত ধুইয়ে জীবাণুমুক্ত হতে পারবেন।
এছাড়াও মহানগরীর রাস্তা-ঘাটের ধূলাবালি নিরসনে জীবাণুনাশক ক্যামিক্যালযুক্ত পানি ছিটানো হচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি না হওয়ার জন্য সিটির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাজার মনিটর করছেন।
জরুরি এম্বুলেন্স সার্ভিসসহ নগরীর ৫০ হাজার হত দরিদ্র মানুষকে খাবার দেওয়ার প্রস্তুতির কথাও জানান মেয়র। যেসব খাদ্যসামগ্রী সিটি করপোরেশনের কর্মচারীরা ঐসব বাসা-বাড়িতে পৌঁছে দিবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান





















