করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জাপানে আটকা পড়েছেন প্রায় ৩৫ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। তারা মার্চ মাসে নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে কোর্স শেষ করেছেন। তাদের দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
ইতোমধ্যে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে জাপানে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৬ মে পর্যন্ত রাজধানী টোকিওসহ সাতটি অঞ্চলে এ জরুরি অবস্থা জারি থাকবে। এই অবস্থায় বাংলাদেশিদের জন্য জাপানে জারি করা সব নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে দূতাবাসের পক্ষ থেকে।
জাপানের টোকিওতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাপানের ৩ হাজার ৯০৬ জন নাগরিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬২২ জন সুস্থ হয়েছেন। এ পর্যন্ত দেশটিতে ৯৩ জন এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
দূতাবাস সূত্র আরো জানিয়েছে, জাপানে এখনো কোনো বাংলাদেশির আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে জাপানে প্রায় ৩৫ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আটকা পড়েছেন। এসব শিক্ষার্থীকে দেশে ফেরানোর লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের তথ্য জানানোর জন্য দূতাবাসকে বলা হয়েছে। জাপানে বাংলাদেশি দূতাবাস মন্ত্রণালয়কে তথ্য জানিয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এসব শিক্ষার্থীকে ফেরত আনার বিষয়ে জাপান সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে করোনার কারণে ফ্লাইট বন্ধ থাকায় অন্তত এক সপ্তাহ তারা দেশে ফিরতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করোনা-বিষয়ক সেলের প্রধান ও অতিরিক্ত সচিব খলিলুর রহমান।
তিনি বলেছেন, সারা বিশ্বে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের অবস্থা পর্যালোচনা করছে সরকার। সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

























