১২:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

এমন শবে বরাত কেউ দেখেনি

যে কয়টি ধর্মীয় উৎসব জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাইকে ছুঁয়ে যায় এর একটি শবে বরাত। প্রতি বছর ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় রাতটি উদযাপিত হলেও এবার দৃশপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে কোনো আমেজ ছাড়াই পালিত হচ্ছে শবে বরাত। মসজিদে ও কবরস্থানে যাওয়ায় রয়েছে বারণ। এমনকি বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকেও বের হওয়া যাচ্ছে না। এমন শবে বরাত এর আগে কেউ দেখেনি।

এবার যেন শবে বরাতের ইবাদত-বন্দেগি সবাই নিজ নিজ ঘরে করেন এ ব্যাপারে আগেই নির্দেশনা দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। মসজিদে নিয়মিত জামাতে পাঁচজনের বেশি এবং জুমার জামাতে ১০ জনের বেশি মুসল্লির ওপর রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

এই অবস্থায় শবে বরাত পালিত হচ্ছে অনেকটা নীরবে-নিভৃতে। মসজিদ-কবরস্থান কোথাও লোকের ভিড় নেই। এমনকি রাজধানীর রাস্তায়ও নেই মানুষের তেমন কোনো আনাগোনা।

প্রতি বছর রাজধানীতে শবে বরাতকেন্দ্রিক মূল আয়োজন হতো জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে। এবার সেখানে নেই কোনো আয়োজনই। বাইরের কোনো মুসল্লি পর্যন্ত সেখানে যেতে পারছেন না।

এছাড়া পুরান ঢাকায় শবে বরাতকেন্দ্রিক যে বিশাল উৎসব প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হতো সেটাও এবার বন্ধ রয়েছে। বাহারি ধরনের হালুয়া-রুটির পসরা বসেনি পুরানা ঢাকার রাস্তায় রাস্তায়।

শবে বরাতে কবরস্থানে যাওয়ার রেওয়াজ বহু পুরোনো। এই রাতে আজিমপুরসহ রাজধানীর প্রতিটি কবরস্থান থাকে লোকে লোকারণ্য। কিন্তু এবার কবর জিয়ারতেও রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। নেই কবরস্থানকেন্দ্রিক ফকিরদের আনাগোনাও।

ভয়াবহ আকার ধারণ করতে যাওয়া করোনাভাইরাসের কবল থেকে জাতি যেন মুক্তি পান সে ব্যাপারে দেশবাসীকে বিশেষ প্রার্থনার আহ্বান জানিয়েছে সরকার। মসজিদে যেতে না পারলেও নগরবাসী নিজ নিজ ঘরে নামাজসহ বিভিন্ন ইবাদত করছেন। তারা করোনার ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পেতে বিশেষ দোয়াও করছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ মেহেদী

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দুই দশক পর চট্টগ্রামে যাচ্ছেন তারেক রহমান

এমন শবে বরাত কেউ দেখেনি

প্রকাশিত : ১০:১১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২০

যে কয়টি ধর্মীয় উৎসব জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাইকে ছুঁয়ে যায় এর একটি শবে বরাত। প্রতি বছর ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় রাতটি উদযাপিত হলেও এবার দৃশপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে কোনো আমেজ ছাড়াই পালিত হচ্ছে শবে বরাত। মসজিদে ও কবরস্থানে যাওয়ায় রয়েছে বারণ। এমনকি বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকেও বের হওয়া যাচ্ছে না। এমন শবে বরাত এর আগে কেউ দেখেনি।

এবার যেন শবে বরাতের ইবাদত-বন্দেগি সবাই নিজ নিজ ঘরে করেন এ ব্যাপারে আগেই নির্দেশনা দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। মসজিদে নিয়মিত জামাতে পাঁচজনের বেশি এবং জুমার জামাতে ১০ জনের বেশি মুসল্লির ওপর রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

এই অবস্থায় শবে বরাত পালিত হচ্ছে অনেকটা নীরবে-নিভৃতে। মসজিদ-কবরস্থান কোথাও লোকের ভিড় নেই। এমনকি রাজধানীর রাস্তায়ও নেই মানুষের তেমন কোনো আনাগোনা।

প্রতি বছর রাজধানীতে শবে বরাতকেন্দ্রিক মূল আয়োজন হতো জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে। এবার সেখানে নেই কোনো আয়োজনই। বাইরের কোনো মুসল্লি পর্যন্ত সেখানে যেতে পারছেন না।

এছাড়া পুরান ঢাকায় শবে বরাতকেন্দ্রিক যে বিশাল উৎসব প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হতো সেটাও এবার বন্ধ রয়েছে। বাহারি ধরনের হালুয়া-রুটির পসরা বসেনি পুরানা ঢাকার রাস্তায় রাস্তায়।

শবে বরাতে কবরস্থানে যাওয়ার রেওয়াজ বহু পুরোনো। এই রাতে আজিমপুরসহ রাজধানীর প্রতিটি কবরস্থান থাকে লোকে লোকারণ্য। কিন্তু এবার কবর জিয়ারতেও রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। নেই কবরস্থানকেন্দ্রিক ফকিরদের আনাগোনাও।

ভয়াবহ আকার ধারণ করতে যাওয়া করোনাভাইরাসের কবল থেকে জাতি যেন মুক্তি পান সে ব্যাপারে দেশবাসীকে বিশেষ প্রার্থনার আহ্বান জানিয়েছে সরকার। মসজিদে যেতে না পারলেও নগরবাসী নিজ নিজ ঘরে নামাজসহ বিভিন্ন ইবাদত করছেন। তারা করোনার ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পেতে বিশেষ দোয়াও করছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ মেহেদী