১১:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

লকডাউনে নির্লিপ্তভাবেই জন্মদিন কাটল অভিনেত্রী জয়ার

এবছরের জন্মদিনটা ভাল কাটল না জয়া বচ্চনের। লকডাউনে নির্লিপ্তভাবেই জন্মদিন কাটল শাহেনশা পত্নীর। কাজের খাতিরে দিল্লি এসেছিলেন। কিন্তু বাড়ি ফিরতে পারেননি। বাধ সেধেছে লকডাউন। ফোনেই অমিতাভ, অভিষেক আর শ্বেতার কণ্ঠস্বর শুনে মনকে শান্ত রাখতে হল। মুম্বইয়ে বসে ছেলেমেয়েরও দিনটা মাকে ছাড়া ভাল কাটেনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেকথাই লিখেছেন তাঁরা। অনুরাগীদের ধন্যবাদ জানিয়ে আবেগঘন পোস্ট করেছেন অমিতাভও।

এদিন সকালে জয়া বচ্চন একটি ছবি পোস্ট করেন অভিষেক বচ্চন। লেখেন, ‘সব শিশুরই প্রিয় শব্দ মা। শুভ জন্মদিন মা। তুমি লকডাউনের জন্য দিল্লিতে আটকে পড়েছ। আর আমরা সবাই মুম্বইয়ে। প্রত্যেক মুহূর্তে তোমার কথা মনে পড়ছে আমাদের। তোমায় খুব ভালোবাসি।’

মেয়ে শ্বেতা বচ্চনও জয়াকে জন্মদিনে অভিনন্দন জানান। ছোটবেলার ছবি শেয়ার করে শ্বেতা লেখেন, ‘আমি তোমায় আমার মনের মধ্যে নিয়ে ঘুরি। তোমায় ছাড়া কোথাও যাই না। আমি যেখানেই যাই, তোমাকে সঙ্গে নিয়ে যাই। শুভ জন্মদিন মা।’

স্ত্রীর জন্মদিনে পোস্ট করেছেন অমিতাভ বচ্চনও। তবে ধন্যবাদ তিনি দিয়েছেন অনুরাগীদের। আসলে স্ত্রীর হয়ে পোস্টটি করেছেন বিগ বি। লিখেছেন, ‘জয়াকে যাঁরা জন্মদিনে অভিন্দন জানিয়েছেন, আমার তরফ থেকে তাঁদের জন্য ভালবাসা রইল। জয়াকে মনে রেখেছেন, এজন্য ধন্যবাদ। আপনাদের সবাইকে আলাদা করে উত্তর দেওয়া অসম্ভব। তা সত্ত্বেও অনেক ধন্যবাদ।

রাজ্যসভার সদস্য হওয়ায় মাঝেমধ্যেই জয়া বচ্চনকে মুম্বই থেকে দিল্লি উড়ে যেতে হয়। এবারও কাজে দিল্লি গিয়েছিলেন জয়া। কিন্তু ফিরতে পারেননি। লকডাউনে দিল্লিতেই আটকে পড়েন তিনি। করোনা থেকে বাঁচতে এখন ঘরবন্দি সবাই। ফলে দিল্লির পরিচিতরাও জয়াকে বাড়ি এসে অভিন্দন জানাতে পারেননি। একরকম নির্লিপ্তভাবেই জন্মদিন কাটল অভিনেত্রীর। তার উপর সোশ্যাল সাইটে তিনি অ্যাকটিভ নন। ফলে অনুরাগীদের শুভেচ্ছাবার্তাও তাঁর কাছ পর্যন্ত পৌঁছতে পারেনি। অমিতাভ অবশ্য সেই দূরত্ব ঘুচিয়ে দিয়েছেন। অনুরাগীদের শুভেচ্ছাবার্তা স্ত্রীয়ের কাছে যেমন পৌঁছে দিয়েছেন, তেমনই স্ত্রীর হয়ে সবাইকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বাবুল

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

যশোর পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

লকডাউনে নির্লিপ্তভাবেই জন্মদিন কাটল অভিনেত্রী জয়ার

প্রকাশিত : ০১:২২:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০

এবছরের জন্মদিনটা ভাল কাটল না জয়া বচ্চনের। লকডাউনে নির্লিপ্তভাবেই জন্মদিন কাটল শাহেনশা পত্নীর। কাজের খাতিরে দিল্লি এসেছিলেন। কিন্তু বাড়ি ফিরতে পারেননি। বাধ সেধেছে লকডাউন। ফোনেই অমিতাভ, অভিষেক আর শ্বেতার কণ্ঠস্বর শুনে মনকে শান্ত রাখতে হল। মুম্বইয়ে বসে ছেলেমেয়েরও দিনটা মাকে ছাড়া ভাল কাটেনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেকথাই লিখেছেন তাঁরা। অনুরাগীদের ধন্যবাদ জানিয়ে আবেগঘন পোস্ট করেছেন অমিতাভও।

এদিন সকালে জয়া বচ্চন একটি ছবি পোস্ট করেন অভিষেক বচ্চন। লেখেন, ‘সব শিশুরই প্রিয় শব্দ মা। শুভ জন্মদিন মা। তুমি লকডাউনের জন্য দিল্লিতে আটকে পড়েছ। আর আমরা সবাই মুম্বইয়ে। প্রত্যেক মুহূর্তে তোমার কথা মনে পড়ছে আমাদের। তোমায় খুব ভালোবাসি।’

মেয়ে শ্বেতা বচ্চনও জয়াকে জন্মদিনে অভিনন্দন জানান। ছোটবেলার ছবি শেয়ার করে শ্বেতা লেখেন, ‘আমি তোমায় আমার মনের মধ্যে নিয়ে ঘুরি। তোমায় ছাড়া কোথাও যাই না। আমি যেখানেই যাই, তোমাকে সঙ্গে নিয়ে যাই। শুভ জন্মদিন মা।’

স্ত্রীর জন্মদিনে পোস্ট করেছেন অমিতাভ বচ্চনও। তবে ধন্যবাদ তিনি দিয়েছেন অনুরাগীদের। আসলে স্ত্রীর হয়ে পোস্টটি করেছেন বিগ বি। লিখেছেন, ‘জয়াকে যাঁরা জন্মদিনে অভিন্দন জানিয়েছেন, আমার তরফ থেকে তাঁদের জন্য ভালবাসা রইল। জয়াকে মনে রেখেছেন, এজন্য ধন্যবাদ। আপনাদের সবাইকে আলাদা করে উত্তর দেওয়া অসম্ভব। তা সত্ত্বেও অনেক ধন্যবাদ।

রাজ্যসভার সদস্য হওয়ায় মাঝেমধ্যেই জয়া বচ্চনকে মুম্বই থেকে দিল্লি উড়ে যেতে হয়। এবারও কাজে দিল্লি গিয়েছিলেন জয়া। কিন্তু ফিরতে পারেননি। লকডাউনে দিল্লিতেই আটকে পড়েন তিনি। করোনা থেকে বাঁচতে এখন ঘরবন্দি সবাই। ফলে দিল্লির পরিচিতরাও জয়াকে বাড়ি এসে অভিন্দন জানাতে পারেননি। একরকম নির্লিপ্তভাবেই জন্মদিন কাটল অভিনেত্রীর। তার উপর সোশ্যাল সাইটে তিনি অ্যাকটিভ নন। ফলে অনুরাগীদের শুভেচ্ছাবার্তাও তাঁর কাছ পর্যন্ত পৌঁছতে পারেনি। অমিতাভ অবশ্য সেই দূরত্ব ঘুচিয়ে দিয়েছেন। অনুরাগীদের শুভেচ্ছাবার্তা স্ত্রীয়ের কাছে যেমন পৌঁছে দিয়েছেন, তেমনই স্ত্রীর হয়ে সবাইকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বাবুল