পরম শ্রদ্ধেয় মরহুম এম এ মালেক সাহেবের মৃত্যুবার্ষিকীতে রইলো বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী। খুব মনে পড়ে আমার ব্যক্তিগতভাবে একজন আমৃত্যু শুভাকাঙ্খী এম এ মালেক ভাইয়ের কথা। এলান,এমএমসি ও লেখালেখি এই তিন ক্ষেত্রে খুব কাছাকাছি যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে ধীর স্থির মানুষ এম এ মালেক ভাইয়ের সাথে। মালেক ভাইয়ের জীবন প্রদীপ নিভে যাওয়ার আগেই ছিল লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচন। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ক্রীড়া ও সমাজসেবা সম্পাদক পদে আমি মোহাম্মদ আক্তার আলম দোয়া চাইতে গেলে মালেক ভাই খুশি করার জন্য হলেও বলেন- তোমার মতো স্পষ্টবাদী মানুষকে ভোট না দেওয়া আমাদের বোকামী হবে। দোয়া চেয়ে আসার সময় শুধু বললেন- রানাকে একটু দেখে রাখিও ভাই। তখনো বুঝি নাই,এই অসুস্থতা ও শয্যাশায়ী অবস্থা প্রিয় মানুষটার চির প্রস্থান হবে। দুটি বছর আগে চলে গেলেন লক্ষ্মীপুর বণিক সমিতি ও প্রেসক্লাবসহ একাধিক সংগঠনের উদ্যোক্তাদের একজন। এম এ মালেক ভাইয়ের জীবনের বড় গুণ ছিল অনেক কিছু জানলেও ধাম্ভিকতা ছিল না আর খারাপ দিক ছিল অতি স্লো। কারো জন্য কখনো ক্ষতিকর ছিলেন না। ওপারে ভালো থাকুন মরহুম এম এ মালেক ভাই।
— মোহাম্মদ আক্তার আলম,তৃণমূল সংবাদকর্মী
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান





















