০২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

শীতে ঠান্ডা পানিতে গোসল করার উপকারিতা

  • নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৭:৪১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭
  • 231

শীতকালে ঠান্ডা পানিতে গোসল করতে অনেকেই ভয় পান। অথচ শীতকালে ঠান্ডা পানিতে গোসল করার অনেক উপকারিতা রয়েছে।

ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে দেহের রক্ত প্রবাহমাত্রা বেড়ে যায়। ঠান্ডা পানির স্পর্শ পেলেই ত্বক সংকুচিত হয়ে আসে। কারণ এই সময় ত্বক কিছুটা তাপমাত্রা হারায়। ফলে রক্ত চলাচল কিছুটা ধীর গতিতে হওয়ার কারণেই রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং শিরা-উপশিরায় দ্রুত গতিতে ধাবিত হতে থাকে।

ঠান্ডা পানি গায়ে ঢাললে শীত লাগে। এর কারণ হলো, ত্বক তার স্বাভাবিক তাপমাত্রা হারায়। বাইরের পরিবেশের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য দেহ নিজেই তাপ উৎপন্ন করে। এর জন্য শরীরে সঞ্চিত কার্বোহাইড্রেট পোড়াতে হয়।

ঠান্ডা পানির স্নানে প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। পেশির ক্ষত নিরাময়েও সাহায্য করে কনকনে ঠান্ডা পানিতে গোসল।

ঠান্ডা পানি মুহূর্তেই দেহের সতেজতা ফিরিয়ে আনে। এতে অনিদ্রা রোগের উপশম হয়।

ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে অনেক পুরনো ব্যথা হ্রাস পায়। দেহের অস্বস্তিকর উত্তেজনা প্রশমিত হয় এবং স্নায়বিক দুর্বলতা দূর হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

শীতে ঠান্ডা পানিতে গোসল করার উপকারিতা

প্রকাশিত : ০৭:৪১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭

শীতকালে ঠান্ডা পানিতে গোসল করতে অনেকেই ভয় পান। অথচ শীতকালে ঠান্ডা পানিতে গোসল করার অনেক উপকারিতা রয়েছে।

ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে দেহের রক্ত প্রবাহমাত্রা বেড়ে যায়। ঠান্ডা পানির স্পর্শ পেলেই ত্বক সংকুচিত হয়ে আসে। কারণ এই সময় ত্বক কিছুটা তাপমাত্রা হারায়। ফলে রক্ত চলাচল কিছুটা ধীর গতিতে হওয়ার কারণেই রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং শিরা-উপশিরায় দ্রুত গতিতে ধাবিত হতে থাকে।

ঠান্ডা পানি গায়ে ঢাললে শীত লাগে। এর কারণ হলো, ত্বক তার স্বাভাবিক তাপমাত্রা হারায়। বাইরের পরিবেশের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য দেহ নিজেই তাপ উৎপন্ন করে। এর জন্য শরীরে সঞ্চিত কার্বোহাইড্রেট পোড়াতে হয়।

ঠান্ডা পানির স্নানে প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। পেশির ক্ষত নিরাময়েও সাহায্য করে কনকনে ঠান্ডা পানিতে গোসল।

ঠান্ডা পানি মুহূর্তেই দেহের সতেজতা ফিরিয়ে আনে। এতে অনিদ্রা রোগের উপশম হয়।

ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে অনেক পুরনো ব্যথা হ্রাস পায়। দেহের অস্বস্তিকর উত্তেজনা প্রশমিত হয় এবং স্নায়বিক দুর্বলতা দূর হয়।