০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান আশঙ্কামুক্ত নন

রাজধানীর ইউনিভার্সেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের অবস্থা স্থিতিশীল হলেও তিনি ঝুঁকিমুক্ত নন। তার হার্ট ও কিডনিজনিত সমস্যা রয়েছে। রক্তে ইনফেকশন রয়েছে। একই সঙ্গে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা রয়েছে।

তিনি ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতালের চিফ কার্ডিওলজিস্ট অধ্যাপক খন্দকার কামরুল ইসলামের অধীনে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলেও জানান ডা. আশীষ কুমার।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে রাজধানীর ইউনিভার্সেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এরপর অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের ছেলে আনন্দ জামান বলেন, বাবাকে কিডনি ও ফুসফুসের সমস্যার কারণে এপ্রিলের শুরুতে ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপুরে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন বাবার হার্টে সমস্যা রয়েছে। এখন শঙ্কামুক্ত। তবে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা রয়েছে। যার কারণে অতটা স্বস্তিদায়কও নয়। সুস্থ হতে ২/৩ দিন লাগবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

বিজনেস বাংলাদেশ/বাবুল

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ময়মনসিংহে ৩ দিনব্যাপী কৃষি মেলা শুরু

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান আশঙ্কামুক্ত নন

প্রকাশিত : ০৪:১৫:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২০

রাজধানীর ইউনিভার্সেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের অবস্থা স্থিতিশীল হলেও তিনি ঝুঁকিমুক্ত নন। তার হার্ট ও কিডনিজনিত সমস্যা রয়েছে। রক্তে ইনফেকশন রয়েছে। একই সঙ্গে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা রয়েছে।

তিনি ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতালের চিফ কার্ডিওলজিস্ট অধ্যাপক খন্দকার কামরুল ইসলামের অধীনে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলেও জানান ডা. আশীষ কুমার।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে রাজধানীর ইউনিভার্সেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এরপর অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের ছেলে আনন্দ জামান বলেন, বাবাকে কিডনি ও ফুসফুসের সমস্যার কারণে এপ্রিলের শুরুতে ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপুরে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন বাবার হার্টে সমস্যা রয়েছে। এখন শঙ্কামুক্ত। তবে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা রয়েছে। যার কারণে অতটা স্বস্তিদায়কও নয়। সুস্থ হতে ২/৩ দিন লাগবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

বিজনেস বাংলাদেশ/বাবুল