০৯:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

গ্রেপ্তার জেএমবির ১৭ সদস্য কারাগারে

তাবলিগের নামে সৌদিআরব গিয়ে ইমাম মাহাদীর সঙ্গে সাক্ষাতের আশায় একমাস আগে কথিত ‘হিজরত’ করা জেএমবির ১৭ অনুসারীকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক বাবু কুমার সাহা আসামিদের আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাফুজ্জামান আনছারী তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- হায়দার আলী (৪৪), মাহমুদুল হাসান ওরফে মাসুম, জামিরুল ইসলাম (২৪), বিল্লাল হোসেন (৩৮), শেখ আরাফাত ওরফে জনি (৪৮), ইমরুল হাসান ওরফে ইমন (২৫), সাইফুল ইসলাম (২৫), মোজাম্মেল হক (৩৩), শাহজালাল (৩৪), আক্তারুজ্জামান (৩০), মাহমুদুল হাসান ওরফে সাব্বির (২৩), আবিদ উল মাহমুদ ওরফে আবিদ (২২), সোহাইল সরদার (৩৩), ওবায়দুল ইসলাম ওরফে সুমন (৩০), মাহমুদ হাসান ওরফে শরীফ (১৮), মাজেদুল ইসলাম ওরফে মুকুল ( ২৮) ও সোহাগ হাসান (২০)।

সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় কাকরাইল মসজিদের বিপরীত পাশে পাবলিক হেলথ্ কার্যালয়ের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগ। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের ১৯টি মোবাইল ফোন, ২ লাখ ৩৪ হাজার বাংলাদেশি টাকা ও ৯২২ আমেরিকান ডলার জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা পুলিশকে জানায়, ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মোস্তাক দিন আরমান ২০১৭ সালে সৌদি আরব যান। সেখানে তিনি ইমাম মাহাদির সৈনিক হিসেবে সশস্ত্র জিহাদে যোগদান করেন। ভিডিও বার্তাও প্রকাশ করেন। ওই বক্তব্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে সৈনিক হিসেবে যুদ্ধে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন তারা। এ জন্য সৈয়দ মোস্তাকের সঙ্গে তারা যোগাযোগ করেন।

এদিকে গ্রেপ্তারের পর তাদের বিরুদ্ধে রমনা থানায় সন্ত্রাস বিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেন সিটিটিসির পুলিশ পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গ্রেপ্তার জেএমবির ১৭ সদস্য কারাগারে

প্রকাশিত : ০৩:২০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২০

তাবলিগের নামে সৌদিআরব গিয়ে ইমাম মাহাদীর সঙ্গে সাক্ষাতের আশায় একমাস আগে কথিত ‘হিজরত’ করা জেএমবির ১৭ অনুসারীকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক বাবু কুমার সাহা আসামিদের আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাফুজ্জামান আনছারী তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- হায়দার আলী (৪৪), মাহমুদুল হাসান ওরফে মাসুম, জামিরুল ইসলাম (২৪), বিল্লাল হোসেন (৩৮), শেখ আরাফাত ওরফে জনি (৪৮), ইমরুল হাসান ওরফে ইমন (২৫), সাইফুল ইসলাম (২৫), মোজাম্মেল হক (৩৩), শাহজালাল (৩৪), আক্তারুজ্জামান (৩০), মাহমুদুল হাসান ওরফে সাব্বির (২৩), আবিদ উল মাহমুদ ওরফে আবিদ (২২), সোহাইল সরদার (৩৩), ওবায়দুল ইসলাম ওরফে সুমন (৩০), মাহমুদ হাসান ওরফে শরীফ (১৮), মাজেদুল ইসলাম ওরফে মুকুল ( ২৮) ও সোহাগ হাসান (২০)।

সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় কাকরাইল মসজিদের বিপরীত পাশে পাবলিক হেলথ্ কার্যালয়ের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগ। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের ১৯টি মোবাইল ফোন, ২ লাখ ৩৪ হাজার বাংলাদেশি টাকা ও ৯২২ আমেরিকান ডলার জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা পুলিশকে জানায়, ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মোস্তাক দিন আরমান ২০১৭ সালে সৌদি আরব যান। সেখানে তিনি ইমাম মাহাদির সৈনিক হিসেবে সশস্ত্র জিহাদে যোগদান করেন। ভিডিও বার্তাও প্রকাশ করেন। ওই বক্তব্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে সৈনিক হিসেবে যুদ্ধে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন তারা। এ জন্য সৈয়দ মোস্তাকের সঙ্গে তারা যোগাযোগ করেন।

এদিকে গ্রেপ্তারের পর তাদের বিরুদ্ধে রমনা থানায় সন্ত্রাস বিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেন সিটিটিসির পুলিশ পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ