ফিলিস্তিন ইস্যুতে আমেরিকার পরিবর্তে নতুন মধ্যস্থতাকারী খুঁজে বের করার প্রক্রিয়া হিসেবে চীন ও রাশিয়ায় গতকাল (মঙ্গলবার) দুজন প্রতিনিধি পাঠিয়েছেন স্বশাসন কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস।
গত ৬ ডিসেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বায়তুল মুকাদ্দাসকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন। এর পরপরই প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস আমেরিকাকে আর কথিত শান্তি আলোচনার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে মানবেন না বলে ঘোষণা করেন।
মাহমুদ আব্বাসের পাঠানো দুই প্রতিনিধি চীন ও রাশিয়াকে শান্তি প্রক্রিয়ার নতুন মধ্যস্থতাকারী খুঁজে দেয়ার অনুরোধ জানাবেন। বায়তুল মুকাদ্দাস ইস্যু নিয়ে আলোচনার জন্য বর্তমানে মাহমুদ আব্বাস সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।
এদিকে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যাতে ইসরাইল-বিরোধী কোনো প্রস্তাব পাস না হয় সেজন্য তেল আবিব সারা বিশ্বে ব্যাপক লবিং করে যাচ্ছে। এজন্য ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিভিন্ন দেশে অবস্থিত দূতাবাসকে লবিং করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, স্বাগতিক দেশগুলোকে আসন্ন জাতিসংঘের ভোটাভুটিতে ফিলিস্তিনের পক্ষে তোলা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দিতে উৎসাহিত করে তুলতে হবে।
সোমবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে তোলা প্রস্তাবে আমেরিকা ভেটো দেয়ার পর ফিলিস্তিন ও মুসলিম সরকারগুলো ওই প্রস্তাব সাধারণ পরিষদের বিশেষ জরুরি অধিবেশনে তোলার কথা জানিয়েছে। এজন্য জাতিসংঘের ৩৭৭ নম্বর অনুচ্ছেদের আওতায় জরুরি অধিবেশন ডাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ ধরনের অধিবেশনে কোনো প্রস্তাব পাস হলে সংশ্লিষ্ট পক্ষ তা মানতে বাধ্য।
























