০৮:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

রাঙামাটিতে ৫ ইউপি সদস্যসহ ২০ জনকে অপহরণ

রাঙামাটিতে ৫ ইউপি সদস্সযহ ২০ জনকে তুলে নিয়ে গেছে দূর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার রাঙামাটি সদর ইউনিয়নের বন্দুক ভাঙ্গা এলাকা থেকে তাদের অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায়। অপহৃতরা সবাই গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফের সমর্থক বলে দাবি করেছে সংগঠনটির আহ্বায়ক তপন জ্যোতি চাকমা (বর্মা)। তবে অপহরণের বিষয়টি রাঙামাটি শহরে ছড়িয়ে পড়লেও স্বীকার করতে নারাজ স্থানীয় প্রশাসনের কেউ। ইউপিডিএফের দু’গ্রুপের মধ্যে দন্ডের জেড় ধরে এঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় গ্রামবাসী জানায়, আজ দুপুরে ৩ নং বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়নের ভাঙ্গামুড়া নামক স্থানে ৩০-৩৫ জনের একদল অস্ত্রধারী মিটিং এর কথা বলে ইউপি মেম্বারসহ ২০ জনকে ডেকে নিয়ে যায়। তাদেরকে ইঞ্জিন বোটে করে প্রথমে ভাঙ্গামুড়া পরে ত্রিপুরা ছড়া এলাকায় নিয়ে যায়। এ পর তারা আর ফিরে আসেনি। অপহৃত সবাই নানিয়ারচর উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে ১২ জনের নাম পাওয়া গেছে। তারা হলেন- সাবেক্ষং ইউনিয়নের রতন দিব চাকমা, রিপেন চাকমা, পরানধন চাকমা, চিচিরময় চাকমা, রুমী চাকমা, চম্পা চাকমা, রত্মা চাকমা, এবং নানিয়ারচর ইউনিয়নের প্রিয়লাল চাকমা, পূর্ণ কুমার চাকমা, বাবুল বিকাশ চাকমা, রিতন চাকমা, নানিয়াচরের সাবেক মেম্বার সেন্টু চাকমা। বাকী ৮ জনের নাম পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে ইউপিডিএফের গণতান্ত্রিক পার্টির আহ্বায় তপন জ্যোতি চাকমা এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, সশস্ত্র ইউপিডিএফের সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে ৫ ইউপি মেম্বারসহ ২০ জনকে তুলে নিয়ে গুম করে রেখেছে। জানিনা অপহৃরা এখন কি অবস্থায় আছে। তারা আমাদের রাজনৈতিক অধিকার ধ্বংস করতে চায়।

নানিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ জানান, অপহরণের ঘটনা তারা শুনেছেন তবে লোকজন নানিয়ারচর উপজেলার বাসিন্দা হলেও ঘটনাটি ঘটেছে নানিয়ারচরের বাইরে।

এবিষয়ে রাঙামাটি কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সত্যজিৎ বড়ুয়া জানায়, অপহরণের বিষয়ে তারা শুনেছেন। তবে এখনো পর্যন্ত কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি বলে তিনি জানান।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ময়মনসিংহে ৩ দিনব্যাপী কৃষি মেলা শুরু

রাঙামাটিতে ৫ ইউপি সদস্যসহ ২০ জনকে অপহরণ

প্রকাশিত : ১০:৫১:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৭

রাঙামাটিতে ৫ ইউপি সদস্সযহ ২০ জনকে তুলে নিয়ে গেছে দূর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার রাঙামাটি সদর ইউনিয়নের বন্দুক ভাঙ্গা এলাকা থেকে তাদের অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায়। অপহৃতরা সবাই গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফের সমর্থক বলে দাবি করেছে সংগঠনটির আহ্বায়ক তপন জ্যোতি চাকমা (বর্মা)। তবে অপহরণের বিষয়টি রাঙামাটি শহরে ছড়িয়ে পড়লেও স্বীকার করতে নারাজ স্থানীয় প্রশাসনের কেউ। ইউপিডিএফের দু’গ্রুপের মধ্যে দন্ডের জেড় ধরে এঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় গ্রামবাসী জানায়, আজ দুপুরে ৩ নং বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়নের ভাঙ্গামুড়া নামক স্থানে ৩০-৩৫ জনের একদল অস্ত্রধারী মিটিং এর কথা বলে ইউপি মেম্বারসহ ২০ জনকে ডেকে নিয়ে যায়। তাদেরকে ইঞ্জিন বোটে করে প্রথমে ভাঙ্গামুড়া পরে ত্রিপুরা ছড়া এলাকায় নিয়ে যায়। এ পর তারা আর ফিরে আসেনি। অপহৃত সবাই নানিয়ারচর উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে ১২ জনের নাম পাওয়া গেছে। তারা হলেন- সাবেক্ষং ইউনিয়নের রতন দিব চাকমা, রিপেন চাকমা, পরানধন চাকমা, চিচিরময় চাকমা, রুমী চাকমা, চম্পা চাকমা, রত্মা চাকমা, এবং নানিয়ারচর ইউনিয়নের প্রিয়লাল চাকমা, পূর্ণ কুমার চাকমা, বাবুল বিকাশ চাকমা, রিতন চাকমা, নানিয়াচরের সাবেক মেম্বার সেন্টু চাকমা। বাকী ৮ জনের নাম পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে ইউপিডিএফের গণতান্ত্রিক পার্টির আহ্বায় তপন জ্যোতি চাকমা এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, সশস্ত্র ইউপিডিএফের সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে ৫ ইউপি মেম্বারসহ ২০ জনকে তুলে নিয়ে গুম করে রেখেছে। জানিনা অপহৃরা এখন কি অবস্থায় আছে। তারা আমাদের রাজনৈতিক অধিকার ধ্বংস করতে চায়।

নানিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ জানান, অপহরণের ঘটনা তারা শুনেছেন তবে লোকজন নানিয়ারচর উপজেলার বাসিন্দা হলেও ঘটনাটি ঘটেছে নানিয়ারচরের বাইরে।

এবিষয়ে রাঙামাটি কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সত্যজিৎ বড়ুয়া জানায়, অপহরণের বিষয়ে তারা শুনেছেন। তবে এখনো পর্যন্ত কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি বলে তিনি জানান।