০৫:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

‘উত্তর কোরিয়া ওপর নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধ ঘোষণার শামিল’

পিয়ংইয়ংয়ের ওপর জাতিসংঘের আরোপিত নতুন নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধ ঘোষণার শামিল বলে মন্তব্য করেছে উত্তর কোরিয়া।

পিয়ংইয়ংয়ের ক্ষেপণাস্ত্র এবং পরমাণু বোমার ইস্যুতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ গত শুক্রবার সর্বসম্মতিক্রমে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় উত্তর কোরিয়ায় অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপের পাশাপাশি বিদেশে বিশেষ করে চীন এবং রাশিয়ায় কর্মরত উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, “জাতিসংঘের নতুন এই নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরিভাবে উত্তর কোরিয়ার ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের শামিল। যারা এই অন্যায় নিষেধাজ্ঞার প্রতি সমর্থন জানাবে তাদেরকে সম্পূর্ণভাবে দায়ী থাকতে হবে।”

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, “এই নিষেধাজ্ঞার ফলে বড় ধরনের অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটলে যেসব দেশ এর পক্ষে তাদের হাত তুলেছে, তারা সম্পূর্ণরূপে দায়ী থাকবে।” তারা যে কাজ করেছে, সে জন্য তাদের কঠোর মূল্য দিতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি করে পিয়ংইয়ং।

উত্তর কোরিয়া বলেছে, জাতিসংঘের নতুন এই নিষেধাজ্ঞা উত্তর কোরিয়ার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন এবং এই যুদ্ধনীতি কোরিয়া উপদ্বীপ ও বিস্তৃত অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করে দিচ্ছে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, “উত্তর কোরিয়ার মতো একটি দেশকে পারমাণবিক শক্তিতে স্বয়ংসম্পন্ন হতে দেখে যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি হতাশ।” জাতিসংঘের এই কঠোর নিষেধাজ্ঞা উত্তেজনা ছড়ানোর পাশাপাশি দেশটির ওপর চাপ বাড়াবে বলেও মনে করছে কোরিয়া।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

‘উত্তর কোরিয়া ওপর নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধ ঘোষণার শামিল’

প্রকাশিত : ০৫:৫০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

পিয়ংইয়ংয়ের ওপর জাতিসংঘের আরোপিত নতুন নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধ ঘোষণার শামিল বলে মন্তব্য করেছে উত্তর কোরিয়া।

পিয়ংইয়ংয়ের ক্ষেপণাস্ত্র এবং পরমাণু বোমার ইস্যুতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ গত শুক্রবার সর্বসম্মতিক্রমে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় উত্তর কোরিয়ায় অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপের পাশাপাশি বিদেশে বিশেষ করে চীন এবং রাশিয়ায় কর্মরত উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, “জাতিসংঘের নতুন এই নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরিভাবে উত্তর কোরিয়ার ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের শামিল। যারা এই অন্যায় নিষেধাজ্ঞার প্রতি সমর্থন জানাবে তাদেরকে সম্পূর্ণভাবে দায়ী থাকতে হবে।”

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, “এই নিষেধাজ্ঞার ফলে বড় ধরনের অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটলে যেসব দেশ এর পক্ষে তাদের হাত তুলেছে, তারা সম্পূর্ণরূপে দায়ী থাকবে।” তারা যে কাজ করেছে, সে জন্য তাদের কঠোর মূল্য দিতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি করে পিয়ংইয়ং।

উত্তর কোরিয়া বলেছে, জাতিসংঘের নতুন এই নিষেধাজ্ঞা উত্তর কোরিয়ার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন এবং এই যুদ্ধনীতি কোরিয়া উপদ্বীপ ও বিস্তৃত অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করে দিচ্ছে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, “উত্তর কোরিয়ার মতো একটি দেশকে পারমাণবিক শক্তিতে স্বয়ংসম্পন্ন হতে দেখে যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি হতাশ।” জাতিসংঘের এই কঠোর নিষেধাজ্ঞা উত্তেজনা ছড়ানোর পাশাপাশি দেশটির ওপর চাপ বাড়াবে বলেও মনে করছে কোরিয়া।