০২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে শামীম হত্যা মামলার আসামিদের ঘর-বাড়ী ভাংচুর লুটপাটের অভিযোগ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে একটি হত্যা মামলার আসামীদের ঘর-বাড়ী ভাংচুর লুটপাট করেছে প্রতিপক্ষরা বলে অভিযোগ উঠেছে। দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের হরিণগাছিতে শামীম হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িঘর লুটপাট ও ভাংচুরের করা হয়েছে । সেই সাথে গ্রামের একটি মহল্লায় প্রায় ৬০ টা পরিবার গ্রাম ছাড়া হয়েছে। এলাকা জনশূন্য ভুতুড়ে অবস্থা বিরাজ করছে। অভিযোগ উঠেছে পুরুষ ছাড়াও নারী ও শিশুদের উপর চলছে দমন পিড়ন শারীরিক ও মানুষিক নির্যাতন। প্রশাসন তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে।
ঘটনা জানতে সাংবাদিকদের উপস্থিতি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আশে পাশের এলাকা থেকে বেশ কিছু মহিলা ছুটে আসে ঘটনাস্থলে। তাদের মধ্যে অনেক ভয়-ভীতি লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। এলাকাবাসী অভিযোগ করে শামীম হত্যা হওয়ার পর থেকে আমরা বাড়ি-ঘরে আর আসতে পারিনি। যদিও কখনো আমরা চুরি করে বাড়ি-ঘরে আসি সাথে সাথে আমাদের উপর আক্রমণ করার জন্য প্রতিপক্ষ চলে আসে। হত্যার ঘটনার পর স্বাধীন, ফারুক আলম, পান্না ও দিনু মেম্বারের নেতৃত্বে আমাদের বাড়িঘর সমস্ত কিছু লুটপাট করে নেওয়া হয়েছে এবং ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে।
সাংবাদিকদের সাথে কথোপকথনের সময় বাদী পক্ষের লোকজন চলে আসলে এ সময় উপস্থিত মহিলারা প্রচন্ড ভয় পেতে থাকে, আসামী পক্ষের লোকদের সাথে খারাপ ব্যবহার করার চেষ্টা করলে, বাদী পক্ষের লোকজনই বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করেন। আসামি পক্ষের লোকজনের দেওয়া তথ্যমতে, বাদী পক্ষের লোকজনের সাথে যোগাযোগ করলে, তাদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবী করেন।
এ বিষয়ে স্বাধীন জানান, আসামি পক্ষের লোকজন আমি এবং ফারুক আলম পান্না, দিনু মেম্বার সম্পর্কে যে ধরনের অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে, সেটা ভিত্তিহীন এবং মিথ্যা। আমাদের কোন লোকজন প্রতিপক্ষের বাড়ি-ঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত নয়।বরং তাদের মালামাল তারা নিজেরাই সরিয়ে নিয়ে গেছে, এ রকম অনেক প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। প্রশ্ন থেকে যায় গত ৬/৫/২০২০ ইং তারিখে মার্ডার হলো, এজাহার অনুসারে আসামি হলো ২২ জন, কেন একটি মহল্লার ৬০ টি পরিবারের মানুষ এলাকা ছাড়া ? এমন প্রশ্নের উত্তরে স্বাধীন জানান, আপনারা বিভিন্ন জায়গায় জেনে থাকবেন যে, আমরা কখনো কোন মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করি নাই। তারা অপরাধ করেছে তাই নিজে থেকে ভয়-ভীতিতে এলাকা ছেড়েছে, এখানে আমাদের কিছু করার নেই।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ জানায় মার্ডার মামলার এজাহার নামীয় ৬ জন আসামি আটক হয়েছে এবং মার্ডার যেদিন হয়েছে সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা গ্রামটিতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। যেন আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির কোন অবনতি না হয়।
উল্লেখ্য গত ৬ মে দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের হরিণ গাছি গ্রামে একটি রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দ’ুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ওই গ্রামের মেহের বক্সের ছেলে শামীম নিহত হয়। ঘটনার দিন রাতে নিহত শামীমের বাবা মেহের বক্স বাদী হয়ে রিফাইতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জামিরুল ইসলাম বাবুকে প্রধান আসামী করে ২২ জনের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান

জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে শামীম হত্যা মামলার আসামিদের ঘর-বাড়ী ভাংচুর লুটপাটের অভিযোগ

প্রকাশিত : ০৩:১৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২০

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে একটি হত্যা মামলার আসামীদের ঘর-বাড়ী ভাংচুর লুটপাট করেছে প্রতিপক্ষরা বলে অভিযোগ উঠেছে। দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের হরিণগাছিতে শামীম হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িঘর লুটপাট ও ভাংচুরের করা হয়েছে । সেই সাথে গ্রামের একটি মহল্লায় প্রায় ৬০ টা পরিবার গ্রাম ছাড়া হয়েছে। এলাকা জনশূন্য ভুতুড়ে অবস্থা বিরাজ করছে। অভিযোগ উঠেছে পুরুষ ছাড়াও নারী ও শিশুদের উপর চলছে দমন পিড়ন শারীরিক ও মানুষিক নির্যাতন। প্রশাসন তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে।
ঘটনা জানতে সাংবাদিকদের উপস্থিতি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আশে পাশের এলাকা থেকে বেশ কিছু মহিলা ছুটে আসে ঘটনাস্থলে। তাদের মধ্যে অনেক ভয়-ভীতি লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। এলাকাবাসী অভিযোগ করে শামীম হত্যা হওয়ার পর থেকে আমরা বাড়ি-ঘরে আর আসতে পারিনি। যদিও কখনো আমরা চুরি করে বাড়ি-ঘরে আসি সাথে সাথে আমাদের উপর আক্রমণ করার জন্য প্রতিপক্ষ চলে আসে। হত্যার ঘটনার পর স্বাধীন, ফারুক আলম, পান্না ও দিনু মেম্বারের নেতৃত্বে আমাদের বাড়িঘর সমস্ত কিছু লুটপাট করে নেওয়া হয়েছে এবং ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে।
সাংবাদিকদের সাথে কথোপকথনের সময় বাদী পক্ষের লোকজন চলে আসলে এ সময় উপস্থিত মহিলারা প্রচন্ড ভয় পেতে থাকে, আসামী পক্ষের লোকদের সাথে খারাপ ব্যবহার করার চেষ্টা করলে, বাদী পক্ষের লোকজনই বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করেন। আসামি পক্ষের লোকজনের দেওয়া তথ্যমতে, বাদী পক্ষের লোকজনের সাথে যোগাযোগ করলে, তাদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবী করেন।
এ বিষয়ে স্বাধীন জানান, আসামি পক্ষের লোকজন আমি এবং ফারুক আলম পান্না, দিনু মেম্বার সম্পর্কে যে ধরনের অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে, সেটা ভিত্তিহীন এবং মিথ্যা। আমাদের কোন লোকজন প্রতিপক্ষের বাড়ি-ঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত নয়।বরং তাদের মালামাল তারা নিজেরাই সরিয়ে নিয়ে গেছে, এ রকম অনেক প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। প্রশ্ন থেকে যায় গত ৬/৫/২০২০ ইং তারিখে মার্ডার হলো, এজাহার অনুসারে আসামি হলো ২২ জন, কেন একটি মহল্লার ৬০ টি পরিবারের মানুষ এলাকা ছাড়া ? এমন প্রশ্নের উত্তরে স্বাধীন জানান, আপনারা বিভিন্ন জায়গায় জেনে থাকবেন যে, আমরা কখনো কোন মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করি নাই। তারা অপরাধ করেছে তাই নিজে থেকে ভয়-ভীতিতে এলাকা ছেড়েছে, এখানে আমাদের কিছু করার নেই।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ জানায় মার্ডার মামলার এজাহার নামীয় ৬ জন আসামি আটক হয়েছে এবং মার্ডার যেদিন হয়েছে সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা গ্রামটিতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। যেন আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির কোন অবনতি না হয়।
উল্লেখ্য গত ৬ মে দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের হরিণ গাছি গ্রামে একটি রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দ’ুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ওই গ্রামের মেহের বক্সের ছেলে শামীম নিহত হয়। ঘটনার দিন রাতে নিহত শামীমের বাবা মেহের বক্স বাদী হয়ে রিফাইতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জামিরুল ইসলাম বাবুকে প্রধান আসামী করে ২২ জনের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান