০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬

রোহিঙ্গাদের জন্য নতুন পরিকল্পনার কথা অর্থমন্ত্রীর

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, রোহিঙ্গাদের জন্য একটি পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সেখানে বিদেশি, সরকারি-বেসরকারি সাহায্য করা হচ্ছে।

তাদের (রোহিঙ্গা) টাকা দিতে হবে। দাতাদের কাছে সাহায্য চাচ্ছি, দেখি কী আসে। ইতোমধ্যে দাতাদের কাছ থেকে বেশকিছু সাড়াও এসেছে।

আজ রবিবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিদায়ী বছর-২০১৭ এবং নতুন বছর-২০১৮ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার বলেছে, তারা কিছু লোক নেবে। নেওয়ার মধ্যে নানা কথা-বার্তা আছে, কিছু হিন্দু নেবে। এ সময় রোহিঙ্গা ইস্যুর সমাধানে রাখাইনে স্বতন্ত্র রোহিঙ্গা জোন করা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০১৭ সালে কোনো সহিংস হরতাল হয়নি। কোনো মারাত্মক কিছু ঘটেনি।

মানুষের স্বস্তি অনেক উচ্চমাত্রায় উঠে এসেছে। সোস্যাল সিকিউরিটি খুবই ভালো. অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, শেখ হাসিনার সব সরকারই অংশগ্রহণমূলক সরকার, আগামীতেও হবে। আশা করি ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচনে সবাই অংশ নেবে এবং উন্নয়নের সরকারের জন্য আওয়ামী লীগ জিতবে।

আলাপের সময় রোহিঙ্গা, জাতীয় নির্বাচন, ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা ইস্যুতেও কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। এ সময় অর্থ সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কেরানীগঞ্জের গ্যাসলাইট কারখানায় আগুনে নিহত ৫

রোহিঙ্গাদের জন্য নতুন পরিকল্পনার কথা অর্থমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ০৭:৪৯:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, রোহিঙ্গাদের জন্য একটি পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সেখানে বিদেশি, সরকারি-বেসরকারি সাহায্য করা হচ্ছে।

তাদের (রোহিঙ্গা) টাকা দিতে হবে। দাতাদের কাছে সাহায্য চাচ্ছি, দেখি কী আসে। ইতোমধ্যে দাতাদের কাছ থেকে বেশকিছু সাড়াও এসেছে।

আজ রবিবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিদায়ী বছর-২০১৭ এবং নতুন বছর-২০১৮ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার বলেছে, তারা কিছু লোক নেবে। নেওয়ার মধ্যে নানা কথা-বার্তা আছে, কিছু হিন্দু নেবে। এ সময় রোহিঙ্গা ইস্যুর সমাধানে রাখাইনে স্বতন্ত্র রোহিঙ্গা জোন করা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০১৭ সালে কোনো সহিংস হরতাল হয়নি। কোনো মারাত্মক কিছু ঘটেনি।

মানুষের স্বস্তি অনেক উচ্চমাত্রায় উঠে এসেছে। সোস্যাল সিকিউরিটি খুবই ভালো. অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, শেখ হাসিনার সব সরকারই অংশগ্রহণমূলক সরকার, আগামীতেও হবে। আশা করি ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচনে সবাই অংশ নেবে এবং উন্নয়নের সরকারের জন্য আওয়ামী লীগ জিতবে।

আলাপের সময় রোহিঙ্গা, জাতীয় নির্বাচন, ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা ইস্যুতেও কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। এ সময় অর্থ সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।