০৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

নীলফামারীতে ৪ দিনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত

নীলফামারীতে ঈদের দিন হতে চার দিনে পৃথক পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায়  জন নিহত হয়েছে। নীলফামারীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসনএবিএম আতিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানানঈদের দিন হতে পরবর্তী চারদিনে পৃথক ৪টি সড়ক দূর্ঘটনায় একই পরিবারের  জন সহ   জন নিহত হয়।

 

পুলিশ সুত্রে জানা গেছেঈদের দিন শনিবার বিকালে আত্বীয়ের বাড়িতে মোটরসাইকেল চালিয়ে কোরবানীর মাংস দিতে যাবার সময় সৈয়দপুর উপজেলার বানিয়াপাড়া আজিজিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী মিজানুর রহমান(৩২সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়।

 উপজেলার পার্বতীপুর সড়কের চৌমহনীতে দুটি মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মিজানুর গুরুত্বর আহত হলে তাকে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরের দিন রবিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

 

এদিকে ঈদের পরদিন রবিবার সন্ধ্যায় ঈদের দাওয়াত খেতে যাওয়ার পথে কিশোরীগঞ্জ উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সামনে কাচারীপাড়া নামক স্থানে কুমিল্লাগামী একটি রাত্রীকালিন যাত্রীবাহী কোচের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়। দূর্ঘটনায় ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায় মোটরসাইকেল চালক লিটন মিয়া(৩০) নিহতরা হলোলিটন মিয়ার স্ত্রী রুমা(২৪), তাদের  মাসের শিশু সন্তান রাহিম  শ্যালিকা আদুরী (১৭) পুলিশ যাত্রীবাহী কোচ উল্লাস পরিবহন(চট্রগ্রাম ১১০২৬১আটক করলেও চালক হেলপার পালিয়ে যায়। আহত লিটন মিয়াকে স্থানীয় উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। লিটন মিয়া রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার দক্ষিন গজোঘন্টা এলাকার মোখলেছার রহমানের ছেলে। সে ঈদের পরদিন রবিবার সকালে তার বাড়ি হতে মোটরসাইকেলে স্ত্রী রুমা  শিশু সন্তান রাহিম সহ নীলফামারীর কিশোরীগঞ্জ উপজেলার রনচন্ডি ইউনিয়নের মাঝাপাড়া গ্রামে শ্বশুড় আহাদ আলীর বাড়িতে ঈদের দাওয়াত খেতে আসে।

 দুপুরে শ্বশুড় বাড়ির দাওয়াত শেষে রাতে তাদের দাওয়াত ছিল একই উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামে মামা শ্বশুড় সাজ্জাদুল মিয়ার বাড়িতে। সেই দাওয়াতে অংশ নিতে লিটন মিয়া শ্বশুড়বাড়ি হতে তার মোটরসাইকেলে স্ত্রীসন্তান  শ্যালিকা কে উঠিয়ে সন্ধ্যায় সেখানে যাচ্ছিল। পথেই ওই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটনায় লিটককে হারাতে হয় স্ত্রীশ্যালিকা  একমাত্র সন্তানকে।

 

অপরদিকে সোমবার বিকালে জেলা সদরের ²ীচাপ ইউনিয়নের দুবাছরী সরকার পাড়া নামক স্থানে  শ্যালো মেশিনে চালিত ভটভটি গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক জাহাঙ্গীর আলম (৬০নিহত হয়। তিনি ওই ইউনিয়নের আকাশকুড়ি গ্রামের মৃত হাছিম উদ্দীনের ছেলে।  ঘটনায় আহত ভটভটির এক যাত্রী শমসের আলীকে (৫৫আশংকাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত শমসের জলঢাকা উপজেলার বেরুবন্দ এলাকার মৃত জামুল্লাহ ছেলে। এলাকাবাসীর সহায়তায় পুলিশ  ভটভটি চালক ওসমান গনিকে(৩৮আটক করে। সে জলঢাকা উপজেলা শিমুলবাড়ি ইউনিয়নের রাজবাড়ি গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে। 

 

এদিকে আত্বীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার সময় মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে রাস্তা পার হতে গিয়ে  মাইক্রোবাসের ধাক্কায় নিহত হয় আকতারা বেগম (৩০নামের এক নারী। ঘটনাটি ঘটে জলঢাকাডালিয়া সড়কের ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের কাকড়া বটেরতল নামক স্থানে। মাইক্রোবাসটি পালিয়ে যায়। নিহত আকতারা বেগম জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা গ্রামের আজিজুল ইসলামের মেয়ে।  বছর আগে স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর সে বাবার বাড়িতেই থাকতো।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান

ট্যাগ :

আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে মাদক সহ গ্রেফতার

নীলফামারীতে ৪ দিনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত

প্রকাশিত : ০৮:৪১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২০

নীলফামারীতে ঈদের দিন হতে চার দিনে পৃথক পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায়  জন নিহত হয়েছে। নীলফামারীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসনএবিএম আতিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানানঈদের দিন হতে পরবর্তী চারদিনে পৃথক ৪টি সড়ক দূর্ঘটনায় একই পরিবারের  জন সহ   জন নিহত হয়।

 

পুলিশ সুত্রে জানা গেছেঈদের দিন শনিবার বিকালে আত্বীয়ের বাড়িতে মোটরসাইকেল চালিয়ে কোরবানীর মাংস দিতে যাবার সময় সৈয়দপুর উপজেলার বানিয়াপাড়া আজিজিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী মিজানুর রহমান(৩২সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়।

 উপজেলার পার্বতীপুর সড়কের চৌমহনীতে দুটি মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মিজানুর গুরুত্বর আহত হলে তাকে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরের দিন রবিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

 

এদিকে ঈদের পরদিন রবিবার সন্ধ্যায় ঈদের দাওয়াত খেতে যাওয়ার পথে কিশোরীগঞ্জ উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সামনে কাচারীপাড়া নামক স্থানে কুমিল্লাগামী একটি রাত্রীকালিন যাত্রীবাহী কোচের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়। দূর্ঘটনায় ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায় মোটরসাইকেল চালক লিটন মিয়া(৩০) নিহতরা হলোলিটন মিয়ার স্ত্রী রুমা(২৪), তাদের  মাসের শিশু সন্তান রাহিম  শ্যালিকা আদুরী (১৭) পুলিশ যাত্রীবাহী কোচ উল্লাস পরিবহন(চট্রগ্রাম ১১০২৬১আটক করলেও চালক হেলপার পালিয়ে যায়। আহত লিটন মিয়াকে স্থানীয় উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। লিটন মিয়া রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার দক্ষিন গজোঘন্টা এলাকার মোখলেছার রহমানের ছেলে। সে ঈদের পরদিন রবিবার সকালে তার বাড়ি হতে মোটরসাইকেলে স্ত্রী রুমা  শিশু সন্তান রাহিম সহ নীলফামারীর কিশোরীগঞ্জ উপজেলার রনচন্ডি ইউনিয়নের মাঝাপাড়া গ্রামে শ্বশুড় আহাদ আলীর বাড়িতে ঈদের দাওয়াত খেতে আসে।

 দুপুরে শ্বশুড় বাড়ির দাওয়াত শেষে রাতে তাদের দাওয়াত ছিল একই উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামে মামা শ্বশুড় সাজ্জাদুল মিয়ার বাড়িতে। সেই দাওয়াতে অংশ নিতে লিটন মিয়া শ্বশুড়বাড়ি হতে তার মোটরসাইকেলে স্ত্রীসন্তান  শ্যালিকা কে উঠিয়ে সন্ধ্যায় সেখানে যাচ্ছিল। পথেই ওই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটনায় লিটককে হারাতে হয় স্ত্রীশ্যালিকা  একমাত্র সন্তানকে।

 

অপরদিকে সোমবার বিকালে জেলা সদরের ²ীচাপ ইউনিয়নের দুবাছরী সরকার পাড়া নামক স্থানে  শ্যালো মেশিনে চালিত ভটভটি গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক জাহাঙ্গীর আলম (৬০নিহত হয়। তিনি ওই ইউনিয়নের আকাশকুড়ি গ্রামের মৃত হাছিম উদ্দীনের ছেলে।  ঘটনায় আহত ভটভটির এক যাত্রী শমসের আলীকে (৫৫আশংকাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত শমসের জলঢাকা উপজেলার বেরুবন্দ এলাকার মৃত জামুল্লাহ ছেলে। এলাকাবাসীর সহায়তায় পুলিশ  ভটভটি চালক ওসমান গনিকে(৩৮আটক করে। সে জলঢাকা উপজেলা শিমুলবাড়ি ইউনিয়নের রাজবাড়ি গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে। 

 

এদিকে আত্বীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার সময় মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে রাস্তা পার হতে গিয়ে  মাইক্রোবাসের ধাক্কায় নিহত হয় আকতারা বেগম (৩০নামের এক নারী। ঘটনাটি ঘটে জলঢাকাডালিয়া সড়কের ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের কাকড়া বটেরতল নামক স্থানে। মাইক্রোবাসটি পালিয়ে যায়। নিহত আকতারা বেগম জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা গ্রামের আজিজুল ইসলামের মেয়ে।  বছর আগে স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর সে বাবার বাড়িতেই থাকতো।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান