নওগাঁর পোরশা মর্শিদপুর ইউনিয়নের ফুলবাড়ি গুন্দইল গ্রামে অজ্ঞাত রোগে একাধিক গরুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার পর্যন্ত ওই গ্রামে ৭টি গরু মারা গেছে বলে জানা গেছে। আরো অসংখ্য গরু আক্রান্ত হয়েছে এই রোগে। কি রোগে গরুগুলো মারা যাচ্ছে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা সহ স্থানীয়রা কেউ সঠিক বলতে পাচ্ছেন না। ফলে ওই গ্রামের গরু মালিকগণ আতংকে রয়েছেন এবং ভয়ে তাদের গরুগুলো বিক্রি করে দিচ্ছেন।
জানা গেছে, ঈদের কয়েকদিন আগে থেকে হঠাৎ গরুর অজ্ঞাত রোগটি দেখা দেয়। এই রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে গরু কাঁপতে শুরু করছে এবং পাঁচ মিনিটের মধ্যেই মারা যাচ্ছে। কোন ভাবেই মৃত থেকে গরুগুলো বাঁচাতে পারছেন না তারা। এ রোগে গরু মারা যাওয়ায় ভয়ে আতঙ্কে গ্রামের অনেকেই গরু বিক্রি করছেন।
মর্শিদপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড সদস্য রায়হান কবির জানান, এই অজ্ঞাত রোগে গুন্দইল গ্রামের মৃত ধলার ছেলে আবুল হোসেনের ৩টি, একই গ্রামের সাজিমদ্দিনের ছেলে আজাহারের ১টি, সালো মন্ডলের ছেলে আব্দুস সামাদের ১টি, মৃত সামশুদ্দিনের ছেলে মমতাজের ১টি ও কুদ্দুছের ছেলে আলালের ১টি গরু মারা গেছে। দ্রুত সঠিকভাবে চিকিৎসা দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ শফিউল আলম জানান, সংবাদ পেয়ে গ্রামটি পরিদর্শণ করেছেন। এ সময় বিভিন্ন ভাবে পর্যবেক্ষণ করে এবং গরু মালিকদের কথা শুনেছেন। প্রাণী বিভাগ প্রাথমিক ভাবে মনে করছে, বন্যা নেমে যাওয়ার পর দূষিত পানিতে জন্ম নেওয়া নতুন ঘাষ খেয়ে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তবে ওই গ্রামের সাড়ে ৪শ’ গরুকে তড়কা রোগের টিকা দেওয়া হয়েছে। আর মৃত গরুর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য উর্দ্ধতন কতৃপক্ষ বরাবর পাঠানো হয়েছে। নমুনার ফলাফল আসলেই কি রোগে গরু আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে তা বলা যাবে বলে তিনি জানান।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















