০৬:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

ফাইল ছবি

রাজধানীর নাখালপাড়ার একটি বাসা থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকালে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ধারণা করছে, দাম্পত্য কলহে স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মহত্যা করেছেন স্বামী।

নিহতরা হলেন, মাছ ব্যবসায়ী আজমত আলী (৪৫) এবং তার স্ত্রী ফারজানা বেগম (৩৫)। এই দম্পতির তিন সন্তান রয়েছে তাদের।

ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার রুবায়েত জামান জানান, সকালে এই দম্পতির ছেলের (১৫) কাছে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। মরদেহ দুটির মধ্যে আজম আলীর মরদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায় এবং ফারজানা বেগমের মরদেহটি মেঝেতে পড়ে ছিল। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

এই দম্পতির দীর্ঘদিন ধরেই দাম্পত্য কলহ চলছিল। এক পর্যায়ে তারা নাখালপাড়ায় কাছাকাছি দুটো বাসায় আলাদা থাকতে শুরু করেন তারা। তবে সন্তানদের দেখাশোনা দুজনেই করতেন।

সন্তানদের বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, তাদের মধ্যে কলহ হলেও আবার তা মিটমাট হতো, কিছুদিন পর আবার কলহ হতো। যে বাসায় মরদেহ দুটি পাওয়া গেছে সেখানে ফারজানা বেগম থাকতেন। বৃহস্পতিবার রাতেই সেই বাসায় আজমত আলী এসেছিলেন।

ধারণা করা হচ্ছে, কোন বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য আজমত সেই বাসায় এসেছিলেন। কিন্তু কলহ বেঁধে যাওয়ায় স্ত্রীকে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যা করেন আজমত আলী।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কুমিল্লায় শতাধিক মাল্টিমিডিয়া সংবাদকর্মীদের নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

রাজধানীর বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত : ১২:৪৮:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২০

রাজধানীর নাখালপাড়ার একটি বাসা থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকালে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ধারণা করছে, দাম্পত্য কলহে স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মহত্যা করেছেন স্বামী।

নিহতরা হলেন, মাছ ব্যবসায়ী আজমত আলী (৪৫) এবং তার স্ত্রী ফারজানা বেগম (৩৫)। এই দম্পতির তিন সন্তান রয়েছে তাদের।

ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার রুবায়েত জামান জানান, সকালে এই দম্পতির ছেলের (১৫) কাছে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। মরদেহ দুটির মধ্যে আজম আলীর মরদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায় এবং ফারজানা বেগমের মরদেহটি মেঝেতে পড়ে ছিল। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

এই দম্পতির দীর্ঘদিন ধরেই দাম্পত্য কলহ চলছিল। এক পর্যায়ে তারা নাখালপাড়ায় কাছাকাছি দুটো বাসায় আলাদা থাকতে শুরু করেন তারা। তবে সন্তানদের দেখাশোনা দুজনেই করতেন।

সন্তানদের বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, তাদের মধ্যে কলহ হলেও আবার তা মিটমাট হতো, কিছুদিন পর আবার কলহ হতো। যে বাসায় মরদেহ দুটি পাওয়া গেছে সেখানে ফারজানা বেগম থাকতেন। বৃহস্পতিবার রাতেই সেই বাসায় আজমত আলী এসেছিলেন।

ধারণা করা হচ্ছে, কোন বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য আজমত সেই বাসায় এসেছিলেন। কিন্তু কলহ বেঁধে যাওয়ায় স্ত্রীকে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যা করেন আজমত আলী।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর