আগামী মাস (সেপ্টেম্বর) থেকেই শতভাগ এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করবে সোনালী ব্যাংক। ইতোমধ্যেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে অনুমোদন পেলেও দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাংক হওয়ায় তা বাস্তবায়নে কিছু সময় প্রয়োজন। সকল প্রক্রিয়া শেষ করে আগামী মাস থেকে সোনালী ব্যাংক সম্পূর্ণভাবে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করবে।
সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউর রহমান প্রধানের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান। সংবাদ সম্মেলনে ২০১৯ থেকে ২০২০ সালের বর্তমান সময় পর্যন্ত তুলনামূলক একটি আর্থিক চিত্র প্রকাশ করেন তিনি।
আতাউর রহমান প্রধান জানান, তথ্যপ্রযুক্তি বা আইটি খাত নিয়ে দ্রুতগতিতে কাজ করছে সোনালী ব্যাংক। করোনাকালীন পাঁচ মাসে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারে সোনালী ব্যাংক পাঁচ বছর এগিয়ে গেছে বলে মনে করেন তিনি। এরইমধ্যে ব্যাংকের সব শাখায় অনলাইন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী মাস থেকে পুরোদমে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।
সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ২০১৯ সালে সোনালী ব্যাংকের মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ১২ হাজার ২১৩ কোটি টাকা। তবে চলতি বছরের জুলাই শেষে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা। সুতরাং এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকের খেলাপি কমেছে ১ হাজার ৪৬০ কোটি। এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা বেড়েছে ৫৮ শতাংশ। এছাড়াও সোনালী ব্যাংকের আমানত ১ লাখ ১২ হাজার ৩৬৭ কোটি থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৩৩ কোটিতে পৌঁছেছে। এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির লোকসানি শাখা ৫৮টি থেকে কমে ৫০টি-তে নেমেছে বলেও জানান তিনি।
প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্যাংকটির এমডি জানান, হলমার্ক কেলেঙ্কারির পর তেমন কোন বড় অনিয়ম হয়নি সোনালী ব্যাংকে। তবে এখনো পর্যন্ত হলমার্কের কাছ থেকে উল্লেখ করার মতো টাকা আদায় করা সম্ভব হয়নি। অর্থঋণ আদালতে তাদের সকল জমিজমা এবং সম্পদের উপর মামলা চলছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে খুব দ্রুত হলমার্কের টাকা আদায়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
শেখ লিমন / বিজনেস বাংলাদেশ

























