০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

গভীর সমুদ্রে রুপালী ইলিশের খেলা

মহামারী করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবে ও ৬৫ দিনের সমুদ্রে মাছ শিকার নিষিদ্ধ থাকার কারণে কষ্টে জীবন যাপন করছেন সমুদ্র উপকূলীয় জেলেরা। দীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞার পর সাগরে মাছ ধরা শুরু করেছেন জেলেরা।

প্রথম দিকে মাছ না পাওয়া এবং দীর্ঘদিন আবহাওয়া খারাপ থাকার কারনে হতাশ হয়ে পড়েছিল জেলেরা কিন্তু বর্তমানে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। ছোট ও মাঝারিসহ বড় আকারে প্রচুর ইলিশ পেয়ে অত্যন্ত খুশি জেলেরা। সাথে ফিশিং ট্রলার মালিক ও মৎস্য আড়তদাররাও।

গভীর সমুদ্র থেকে ফেরত আসা ইলিশ বোঝাই ট্রলার নিয়ে এখন ব্যস্ত হয়ে উঠেছে উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন মৎস্য বন্দরের আড়তগুলো।

জেলেরা জানান, ৬৫ দিন অবরোধের পর আবার মাছ ধরতে পেরে আমরা খুশি। প্রচুর ইলিশ ধরা পরতে শুরু করেছে। অনেক বড় বড় ইলিশ ধরা পড়ছে এবং দাম ও ভালো পাওয়া যাচ্ছে।

এখন জেলেরা তাদের পরিবার নিয়ে ভালো থাকতে পারবে। মহামারী করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবে ও অবরোধের কারণে পরিবার নিয়ে অনেক কষ্টে সময় কাটিয়েছেন জেলেরা।

মৎস্য আড়তদারা জানান, অবরোধের পর এবং আবহাওয়া ভালো থাকার কারনে জেলেরা সাগরে যাচ্ছে আর প্রচুর পরিমাণে ইলিশ নিয়ে ফিরছেন। ৭০০-৮০০ গ্রামের প্রতি মণ মাছ বিক্রি হচ্ছে ২২ থেকে ২৪ হাজার টাকায়, ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের মাছ বিক্রি হচ্ছে মণ প্রতি ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকায় এবং ৯০০ গ্রামের উপরের প্রতি মণ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকা দরে। এভাবে মাছ পাওয়া গেলে মাছের সঙ্গে জড়িতরা অনেক ভালো থাকতে পারবে বলে এই আশা তাদের।

পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্যাহ বলেন, অবরোধ শেষে জেলেরা আবার সাগরে মাছ শিকারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। মূলত দুটি কারণে আমাদের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। প্রথমটি হলো প্রজনন সুবিধায় যাতে মাছ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়তে পারে। আর অপরটি হলো ছোট মাছকে বড় হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। যার জন্য বর্তমানে বড় আকারের ইলিশ জেলেদের জালে ধরা পড়ছে। এবার আমাদের অবরোধ ফলপ্রসূ হয়েছে। আগামীতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

গভীর সমুদ্রে রুপালী ইলিশের খেলা

প্রকাশিত : ১২:১৬:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

মহামারী করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবে ও ৬৫ দিনের সমুদ্রে মাছ শিকার নিষিদ্ধ থাকার কারণে কষ্টে জীবন যাপন করছেন সমুদ্র উপকূলীয় জেলেরা। দীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞার পর সাগরে মাছ ধরা শুরু করেছেন জেলেরা।

প্রথম দিকে মাছ না পাওয়া এবং দীর্ঘদিন আবহাওয়া খারাপ থাকার কারনে হতাশ হয়ে পড়েছিল জেলেরা কিন্তু বর্তমানে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। ছোট ও মাঝারিসহ বড় আকারে প্রচুর ইলিশ পেয়ে অত্যন্ত খুশি জেলেরা। সাথে ফিশিং ট্রলার মালিক ও মৎস্য আড়তদাররাও।

গভীর সমুদ্র থেকে ফেরত আসা ইলিশ বোঝাই ট্রলার নিয়ে এখন ব্যস্ত হয়ে উঠেছে উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন মৎস্য বন্দরের আড়তগুলো।

জেলেরা জানান, ৬৫ দিন অবরোধের পর আবার মাছ ধরতে পেরে আমরা খুশি। প্রচুর ইলিশ ধরা পরতে শুরু করেছে। অনেক বড় বড় ইলিশ ধরা পড়ছে এবং দাম ও ভালো পাওয়া যাচ্ছে।

এখন জেলেরা তাদের পরিবার নিয়ে ভালো থাকতে পারবে। মহামারী করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবে ও অবরোধের কারণে পরিবার নিয়ে অনেক কষ্টে সময় কাটিয়েছেন জেলেরা।

মৎস্য আড়তদারা জানান, অবরোধের পর এবং আবহাওয়া ভালো থাকার কারনে জেলেরা সাগরে যাচ্ছে আর প্রচুর পরিমাণে ইলিশ নিয়ে ফিরছেন। ৭০০-৮০০ গ্রামের প্রতি মণ মাছ বিক্রি হচ্ছে ২২ থেকে ২৪ হাজার টাকায়, ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের মাছ বিক্রি হচ্ছে মণ প্রতি ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকায় এবং ৯০০ গ্রামের উপরের প্রতি মণ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকা দরে। এভাবে মাছ পাওয়া গেলে মাছের সঙ্গে জড়িতরা অনেক ভালো থাকতে পারবে বলে এই আশা তাদের।

পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্যাহ বলেন, অবরোধ শেষে জেলেরা আবার সাগরে মাছ শিকারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। মূলত দুটি কারণে আমাদের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। প্রথমটি হলো প্রজনন সুবিধায় যাতে মাছ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়তে পারে। আর অপরটি হলো ছোট মাছকে বড় হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। যার জন্য বর্তমানে বড় আকারের ইলিশ জেলেদের জালে ধরা পড়ছে। এবার আমাদের অবরোধ ফলপ্রসূ হয়েছে। আগামীতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর