জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে টানা আট দিন ধরে এবার জাতীয়করণের দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন ইবতেদায়ি শিক্ষকরা। মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া না পেয়ে তারা এ আমরণ অনশন শুরু করেন।
অনশনের আগ পর্যন্ত আটদিনের অবস্থান কর্মসূচিতে প্রচণ্ড শীতের কারণে অন্তত ১০জন অসুস্থ হয় পড়েন।
বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি কাজী রুহুল আমীন চৌধুরী বলেন, আমরা আটদিন ধরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু সরকাররের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাইনি। তাই আমরণ অনশন শুরু করেছি। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনশন চলবে। অনশনে কারো জীবনের ক্ষতি হলে সে দায় ভার সরকারকেই নিতে হবে। জাতীয়করণের ঘোষণা না আসা পর্যন্ত আমরা এখান থেকে নড়ব না। সারা দেশে ১০ হাজার মাদরাসা রয়েছে। এতে ৫০ হাজারের বেশি শিক্ষক শিক্ষাদান করছেন। কিন্তু আমরা কোনো বেতন পাই না।
শিক্ষক নেতারা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেছেন। তারা আশা করেন তিনি তাদের দাবিও মেনে নেবেন।
আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, একই পরিপত্রে ১৯৯৪ সালে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণ করা হয় ৫০০ টাকা। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি পঞ্চম শ্রেণির কার্যক্রম একই হলেও ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে সরকার। এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি মাসে ২২ থেকে ৩০ হাজার টাকা বেতন হলেও ১ হাজার ৫১৯টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকরা সরকারের কাছ থেকে কোনো বেতন পান না।
জাতীয়করণের দাবিতে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি (সোমবার) থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকরা।






















