০১:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

উন্নয়ন মেলা-২০১৮ শুরু ১১ জানুয়ারি

ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রাজধানীর জাতীয় শিল্পকলা একাডেমি, সেগুনবাগিচায় তিনদিনব্যাপী ‘উন্নয়ন মেলা-২০১৮’ আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ১১ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে চলবে ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত।

‘উন্নয়নের রোল মডেল শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে ২০২১ সালের মধ্যে ‘ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ’ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ‘উন্নত বাংলাদেশ’ গঠনে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম জনসাধারণের সামনে এ মেলায় উপস্থাপন করা হবে।

ওইদিন সকাল ১০টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় আরো থাকবেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জনাব রাশেদ খান মেনন এমপি।

১১ জানুয়ারি সকাল ০৮ টায় অফিসার্স ক্লাব, ঢাকা হতে জাতীয় শিল্পকলা একাডেমি, সেগুনবাগিচা পর্যন্ত র্যালির আয়োজন করা হবে।

এ মেলায় দেশের সকল মন্ত্রণালয়, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, আনসার, অন্যান্য আইনশৃংখলাবাহিনীর পৃথক পৃথক স্টল থাকবে। সব সরকারি, আধাসরকারি ও বেসরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে মেলায় আগত লোকদের সামনে তাদের নিজ নিজ সংস্থার উন্নয়ন কার্যক্রম তুলে ধরা হবে। সরকারি সংস্থাগুলোর সেবাসমূহ মেলাস্থল হতে সরাসরি প্রদান করা হবে। গত ১৩ বছরের অগ্রগতি ও উন্নয়ন চিত্র এতে তুলে ধরা হবে। ২০০৮ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত দেশের উন্নয়ন হয়েছে অনেক। সবাই এই উন্নয়নের অংশ। এই অর্জন সবার। তাই উন্নয়নকে তুলে ধরতে আয়োজন করা হচ্ছে এই মেলার।

তিন দিনব্যাপী এই মেলায় আলোচনা সভা ছাড়াও থাকবে সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এসব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের মুক্তিযুদ্ধ ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের নানাদিক তুলে ধরা হবে। মেলা চলাকালীন প্রতিদিন বিকেলে দেশ বরেণ্য শিল্পী কলাকুশলীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনা হবে। এছাড়া মেলা উপলক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক কুইজ, আলোচনা, বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষে ১০টি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের ঘোষণার মাধ্যমে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। ১০টি বিশেষ উদ্যোগ হচ্ছে- একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প, আশ্রায়ন প্রকল্প, ডিজিটাল বাংলাদেশ, শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি, নারীর ক্ষমতায়ন কর্মসূচি, সবার জন্য বিদ্যুৎ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, কমিউনিটি ক্লিনিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, বিনিয়োগ উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণ। মেলায় এ বিষয়গুলোর উপর বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।

মাটিরাঙ্গায় তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করতে বিএনপির সাংগঠনিক সভা

উন্নয়ন মেলা-২০১৮ শুরু ১১ জানুয়ারি

প্রকাশিত : ০৩:৩৩:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী ২০১৮

ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রাজধানীর জাতীয় শিল্পকলা একাডেমি, সেগুনবাগিচায় তিনদিনব্যাপী ‘উন্নয়ন মেলা-২০১৮’ আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ১১ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে চলবে ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত।

‘উন্নয়নের রোল মডেল শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে ২০২১ সালের মধ্যে ‘ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ’ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ‘উন্নত বাংলাদেশ’ গঠনে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম জনসাধারণের সামনে এ মেলায় উপস্থাপন করা হবে।

ওইদিন সকাল ১০টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় আরো থাকবেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জনাব রাশেদ খান মেনন এমপি।

১১ জানুয়ারি সকাল ০৮ টায় অফিসার্স ক্লাব, ঢাকা হতে জাতীয় শিল্পকলা একাডেমি, সেগুনবাগিচা পর্যন্ত র্যালির আয়োজন করা হবে।

এ মেলায় দেশের সকল মন্ত্রণালয়, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, আনসার, অন্যান্য আইনশৃংখলাবাহিনীর পৃথক পৃথক স্টল থাকবে। সব সরকারি, আধাসরকারি ও বেসরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে মেলায় আগত লোকদের সামনে তাদের নিজ নিজ সংস্থার উন্নয়ন কার্যক্রম তুলে ধরা হবে। সরকারি সংস্থাগুলোর সেবাসমূহ মেলাস্থল হতে সরাসরি প্রদান করা হবে। গত ১৩ বছরের অগ্রগতি ও উন্নয়ন চিত্র এতে তুলে ধরা হবে। ২০০৮ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত দেশের উন্নয়ন হয়েছে অনেক। সবাই এই উন্নয়নের অংশ। এই অর্জন সবার। তাই উন্নয়নকে তুলে ধরতে আয়োজন করা হচ্ছে এই মেলার।

তিন দিনব্যাপী এই মেলায় আলোচনা সভা ছাড়াও থাকবে সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এসব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের মুক্তিযুদ্ধ ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের নানাদিক তুলে ধরা হবে। মেলা চলাকালীন প্রতিদিন বিকেলে দেশ বরেণ্য শিল্পী কলাকুশলীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনা হবে। এছাড়া মেলা উপলক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক কুইজ, আলোচনা, বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষে ১০টি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের ঘোষণার মাধ্যমে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। ১০টি বিশেষ উদ্যোগ হচ্ছে- একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প, আশ্রায়ন প্রকল্প, ডিজিটাল বাংলাদেশ, শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি, নারীর ক্ষমতায়ন কর্মসূচি, সবার জন্য বিদ্যুৎ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, কমিউনিটি ক্লিনিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, বিনিয়োগ উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণ। মেলায় এ বিষয়গুলোর উপর বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।