রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের নয়া রাষ্ট্রদূত উ লিউইন ও আজ বিকেলে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয় পত্র পেশ করতে গেলে আবদুল হামিদ এ সহযোগিতা চান।
রাষ্ট্রপতি নিজস্ব আবাসভূমি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে নব-নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের সক্রিয় উদ্যোগ ও সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন একথা জানান।
আবদুল হামিদ আশা প্রকাশ করেন, নয়া রাষ্ট্রদূতের মেয়াদকালে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
বাংলাদেশ সবসময় প্রতিবেশীদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পকর্কে গুরুত্ব দেয় একথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আগামীতে দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরো জোরদার হবে।
এর আগে, ফ্রান্সের নয়া রাষ্ট্রদূত মারী এ্যানিক বুরদিন রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন।
রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ফ্রান্সের অবদান এবং স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে ‘চমৎকার’ অভিহিত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আগামী দিনগুলোতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরো জোরদার হবে।
তিনি ফ্রান্সকে বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ফ্রান্স সফর দ্বিপক্ষীয় এই সম্পর্ককে আরো জোরদার করবে।
এর আগে দূতদ্বয় বঙ্গভবনে পৌঁছলে তাদেরকে পৃথক গার্ড অব অনার দেয়া হয়। এসময় বাংলাদেশ ও সংশ্লিষ্ট দেশ দু’টির জাতীয় সঙ্গীত বেজে উঠে।
এদিকে, ইন্টারন্যাশনাল ইনার হুইর’র সভাপতি ড. কাপিলা গুপ্তের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
ইনার হুইল হচ্ছে বিশ্বব্যাপী নারীদের এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। সংগঠনটি শতাধিক দেশে সক্রিয় রয়েছে। বাংলাদেশে সংগঠনটির বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করা হয়।
রাষ্ট্রপতি ইনার হুইলের আর্থ-সামাজিক কর্মকান্ডের প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম সম্প্রসারিত হবে।
এ সময়ে রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/০৯ জানুয়ারি ২০১৮/এফএ শোভন






















