০২:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফিলিস্তিনি কিশোরকে ৫ বছরের কারাদণ্ড ইসরায়েল আদালতের

জর্দান নদীর পশ্চিম তীরের জেনিন শরণার্থী শিবিরের এক ফিলিস্তিনি কিশোরকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ইসরায়েলের একটি সামরিক আদালত। ১৭ বছর বয়সী কিশোর সামের আব্দুলকরিম আওয়ায়িসকে এক বছরেরও বেশি সময় আগে ধরে নিয়ে গিয়েছিল ইসরায়েলি সেনারা। খবর পার্সটুডের।

ইসরায়েলের ‘পেতাহ টিকভা’ ডিটেনশন সেন্টারে সামেরকে কয়েক মাস ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং এসময় তার ওপর নির্যাতনও চালায় ইসরায়েলি তদন্তকারী কর্মকর্তারা। সামেরের পিতা বর্তমানে ইসরায়েলি কারাগারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন। তাকে গত এক বছরেরও বেশি সময় বন্দি থাকা অবস্থায় পিতার সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হয়নি।

সামেরের বড় ভাই হাসানকে ২০০৪ সালে ধরে নিয়ে যায় ইসরায়েলি সেনারা। হাসানকে দু’বার যাবজ্জীবনের সঙ্গে অতিরিক্ত ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ইসরায়েলি আদালত। এছাড়া সামেরের একজন চাচা ২০০২ সালে ‘আমারি’ শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হন।

ফিলিস্তিনের বন্দি বিষয়ক কমিশন গত এপ্রিলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, বর্তমানে ইসরায়েলি কারাগারগুলোতে প্রায় ২০০ ফিলিস্তিনি শিশু মানবেতর জীবনযাপন করছে। এসব শিশুকে ন্যুনতম সহায়তা না করার জন্য জাতিসংঘের তীব্র সমালোচনা করেন ওই কমিশনের প্রধান কাদরি আবু বাকের। তিনি বলেন, ২০০০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি সেনারা অন্তত ১৭ হাজার ফিলিস্তিনি শিশুকে আটক করেছে যাদের মধ্যে ১০ বছরের কম বয়সি হাজার হাজার শিশু ছিল।

ডিফেন্স ফর চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সি ৫০০ থেকে ৭০০ ফিলিস্তিনি শিশুকে আটক করে ইসরায়েলের সামরিক আদালতে তাদের বিচার করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ প্রান্ত

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফিলিস্তিনি কিশোরকে ৫ বছরের কারাদণ্ড ইসরায়েল আদালতের

প্রকাশিত : ০৭:০০:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

জর্দান নদীর পশ্চিম তীরের জেনিন শরণার্থী শিবিরের এক ফিলিস্তিনি কিশোরকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ইসরায়েলের একটি সামরিক আদালত। ১৭ বছর বয়সী কিশোর সামের আব্দুলকরিম আওয়ায়িসকে এক বছরেরও বেশি সময় আগে ধরে নিয়ে গিয়েছিল ইসরায়েলি সেনারা। খবর পার্সটুডের।

ইসরায়েলের ‘পেতাহ টিকভা’ ডিটেনশন সেন্টারে সামেরকে কয়েক মাস ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং এসময় তার ওপর নির্যাতনও চালায় ইসরায়েলি তদন্তকারী কর্মকর্তারা। সামেরের পিতা বর্তমানে ইসরায়েলি কারাগারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন। তাকে গত এক বছরেরও বেশি সময় বন্দি থাকা অবস্থায় পিতার সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হয়নি।

সামেরের বড় ভাই হাসানকে ২০০৪ সালে ধরে নিয়ে যায় ইসরায়েলি সেনারা। হাসানকে দু’বার যাবজ্জীবনের সঙ্গে অতিরিক্ত ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ইসরায়েলি আদালত। এছাড়া সামেরের একজন চাচা ২০০২ সালে ‘আমারি’ শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হন।

ফিলিস্তিনের বন্দি বিষয়ক কমিশন গত এপ্রিলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, বর্তমানে ইসরায়েলি কারাগারগুলোতে প্রায় ২০০ ফিলিস্তিনি শিশু মানবেতর জীবনযাপন করছে। এসব শিশুকে ন্যুনতম সহায়তা না করার জন্য জাতিসংঘের তীব্র সমালোচনা করেন ওই কমিশনের প্রধান কাদরি আবু বাকের। তিনি বলেন, ২০০০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি সেনারা অন্তত ১৭ হাজার ফিলিস্তিনি শিশুকে আটক করেছে যাদের মধ্যে ১০ বছরের কম বয়সি হাজার হাজার শিশু ছিল।

ডিফেন্স ফর চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সি ৫০০ থেকে ৭০০ ফিলিস্তিনি শিশুকে আটক করে ইসরায়েলের সামরিক আদালতে তাদের বিচার করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ প্রান্ত