জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালানো সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভার্চ্যুয়াল বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে দিল্লি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, বিতর্কিত ওই ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছিল একটি বেসরকারি গণমাধ্যম সংস্থা; এর সঙ্গে নয়াদিল্লির কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা বা সংশ্লিষ্টতা নেই।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বেসরকারি কোনো ফোরামে কোনো ব্যক্তির মতামত প্রকাশকে ভারত সরকার সরাসরি সমর্থন করে না। সম্পূর্ণ ঘটনাটিকে একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের স্বাধীন উদ্যোগ হিসেবেই দেখছে নয়াদিল্লি।
এদিকে একই দিন সকালে আদালতের নির্দেশনা তুলে ধরে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রচারের বিষয়ে দেশীয় গণমাধ্যমকে সতর্ক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি জানান, উচ্চ আদালতের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কোনো গণমাধ্যম শেখ হাসিনার বক্তব্য বা বিবৃতি প্রচার করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বিচারালয়ের আদেশ অমান্য করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। কেউ যদি আগে থেকেই প্রচার চালায় যে শেখ হাসিনার ভাষণ বা বক্তব্য সম্প্রচার করা হবে এবং পরে তা প্রকাশ করে, তবে সরকার আদালতের রায় বাস্তবায়নে কঠোর পদক্ষেপ নেবে।
তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বজায় রাখা হলেও আদালতের নির্দেশনা বহাল থাকা পর্যন্ত সেটি মেনে চলা সবার জন্য বাধ্যবাধকতা। কারও আপত্তি থাকলে তিনি আদালতে গিয়ে সেই স্থগিতাদেশের চ্যালেঞ্জ করতে পারেন, তবে বিদ্যমান আইনি বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘনের সুযোগ নেই।
ডিএস./
























