লালমনিরহাটে জমাজমি নিয়ে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী হামলায় ৫ জন আহতদের সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় সদর থানায় ৫জনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের সাদেরনগর
গ্রামে মৃত: খোকা মামুদের পুত্র সাজেদুল ইসলাম এর সাথে একই এলাকার মুত:আবুল হোসেনের পুত্র মমিনুল ইসলাম (৩২) ও মিজানুর রহমান (২৮), আমিনুর ইসলাম (৫৫), তার পুত্র সুমন মিয়া (২৫) ও আমিনুর ইসলামের পুত্র সোহেল (২০) এর সাথে মাত্র ৬শতক জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এমতাবস্থায় মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় সাদেকনগর গ্রামে জমাজমির বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য উভয়পক্ষকে নিয়ে একটি গ্রাম্য সালিশ বৈঠক বসে। উক্ত গ্রাম্য সালিশ বৈঠক অভিযুক্ত ব্যক্তিদেরআচারণ মারমুখী হওয়া গ্রাম্য সালিশ বৈঠক ভেঙে যায়। গ্রাম্য সালিশ বৈঠক জমাজমির বিষয়ে কোন সমাধান না হওয়ার অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। ওই রাতে অভিযুক্তদের বাড়ি সামন দিয়ে প্রতিপক্ষরা নিজ বাড়ি ফিরে পথেমধ্যে তারা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ধারালো ছোড়া, রাম দা, দা, লোহার রড়, বাঁশের লাঠি হাতে নিয়ে ১০/১২ জনের একটি সন্ত্রাসীর দল তাদের বেধরক মারপিট করেন।
এতে সাইফুল হোসেনের ডাকচোখ সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রে আঘাতে নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়াও উক্ত সন্ত্রাসীদের মারপিটে মনি মিয়া, আলম মিয়া, সাজেদুল ইসলাম ও শাহিন মিয়া আহত হয়েছেন। আহতদের আত্মচিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসী দলটি পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে ওই রাতে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরদের মধ্যে জখমী সাইফুলের অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
এ ব্যাপারে লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ আলম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ





















