অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে আকাশী নীল-সাদা জার্সির সমর্থকদের। কাতার বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এর বাছাইপর্বের ম্যাচে মাঠে নামতে যাচ্ছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। ঘরের মাঠ আলবের্ত জে আরনেমেন্দো স্টেডিয়ামে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টা ১০ মিনিটে ইকুয়েডরের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টাইনরা।
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ খেলতে বার্সেলোনা থেকে জাতীয় দলের অনুশীলনে ফিরেছেন আর্জেন্টিনা দলের প্রাণভ্রমর লিওনেল মেসি। ক্লাব ফুটবলের অন্যতম সফল স্ট্রাইকার এখনো আন্তর্জাতিক জার্সি গায়ে বিশ্বকাপের শিরোপাটি তুলে ধরতে পারেননি। ক্লাব ফুটবলের জার্সিতে পাওনা যতটা রঙিন, ঠিক জাতীয় দলের জার্সিতে পাওনাটা ততটা মন্থর। এবারই হয়তো তার সামনে শেষবারের মতো সেই সুযোগটা হাতছানি দিচ্ছে। জাতীয় দলের হয়ে নিজের সেরাটা দিতে প্রস্তুত এলএমটেন নিজেও।
রেকর্ড ছয়বারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ী মেসি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমার এখন ক্যারিয়ারে আর একটি মাত্র লক্ষ্য পূরণ বাকি রয়েছে, জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ জয় করা। বিশ্বকাপ জেতাই আমার একমাত্র উদ্দেশ্য।’
ঘরের মাঠে ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচটিতে স্বাগতিকরা হয়তো দীর্ঘদিন পর নতুন করে মেসিকে স্বাগত জানাতে পারবে। সবসময়ই কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে পরীক্ষীত ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচটি যে মোটেই সহজ হবে না তা অনুমেয়। চার বছর আগে ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্রথম ম্যাচেই বুয়েন্স আয়ার্সের রিভার প্লেট স্টেডিয়ামে ইকুয়েডরের কাছে ২-০ গোলে পরাজিত হয়েছিল আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচে পরাজিত হয়ে আর্জেন্টিনার বাছাইপর্বের বাধা অতিক্রম করা কঠিন হয়ে পড়ে। শেষ ম্যাচ পর্যন্ত ইকুয়েডরের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচটিতে মেসির হ্যাটট্রিকে রাশিয়া বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত হয় দুইবারের বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টিনার।
ইকুয়েডরের বিপক্ষে এ পর্যন্ত ৩৫টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়ে ২০টিতে জয় আর্জেন্টিনার। ১০টি ম্যাচ ড্র আর বাকি ৫টি ম্যাচে হেরেছেন মেসিরা। শেষ ৫ ম্যাচে তিন ম্যাচ জিতেছেন মেসিরা আর ইকুয়েডর আদায় করেছে দুটি ড্র। সবশেষ ২০১৯ সালে মুখোমুখি হয় দুই দল যেখানে ৬-১ গোলের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছিল আর্জেন্টিনা।
সেই ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই বিশ্বকাপ মিশন শুরু করতে যাচ্ছে মেসি বাহিনী। তবে এবারের আবহটি একেবারেই ভিন্ন। করোনা মহামারির কারণে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামেই খেলতে হবে দলগুলোকে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর


























