১০:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

মাত্র ৪০ হাজার টাকায় 

রায়পুরে ৪০ হাজার টাকায় এক নবজাতক কন্যাকে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে বুধবার এ ঘটনা ঘটে বলে গত শুক্রবার জানা যায়। অভিযোগ রয়েছে, ওই কেন্দ্রের এক পরিদর্শিকা দরিদ্র দিনমজুর পরিবারকে প্ররোচিত করে এক প্রবাসী ফেরত ব্যক্তির কাছে নবজাতককে বিক্রি করতে বাধ্য করেন।

গত শুক্রবার জানা যায়, হামছাদীর হাসন্দি জমাদার বাড়ির দিনমজুর ইব্রাহিম হোসেনের স্ত্রী মহিমা বেগম বুধবার সন্ধ্যায় সন্তান প্রসব করেন। কন্যা হওয়ায় ইব্রাহিম কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার আরও তিন কন্যা রয়েছে। কন্যা হওয়ায় নিজেদের ‘অভিশপ্ত’ মনে করেন তারা।

স্থানীয় দুই ব্যবসায়ী জানান, ওই নবজাতককে ৩০ হাজার টাকায় কিনতে দুইজন প্রার্থী ছিল। পরে ৪০ হাজার টাকায় এক প্রবাসী কিনে নেন। নবজাতকের পিতা ইব্রাহিম বলেন, কিছু জানতে হলে ভিজিটরের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি সব কিছুই জানেন। কেরোয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা সুফিয়া আক্তার বলেন যে তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না। রায়পুর পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ বলেন, ঘটনাটি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখব।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মাত্র ৪০ হাজার টাকায় 

প্রকাশিত : ১২:৪২:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০১৮

রায়পুরে ৪০ হাজার টাকায় এক নবজাতক কন্যাকে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে বুধবার এ ঘটনা ঘটে বলে গত শুক্রবার জানা যায়। অভিযোগ রয়েছে, ওই কেন্দ্রের এক পরিদর্শিকা দরিদ্র দিনমজুর পরিবারকে প্ররোচিত করে এক প্রবাসী ফেরত ব্যক্তির কাছে নবজাতককে বিক্রি করতে বাধ্য করেন।

গত শুক্রবার জানা যায়, হামছাদীর হাসন্দি জমাদার বাড়ির দিনমজুর ইব্রাহিম হোসেনের স্ত্রী মহিমা বেগম বুধবার সন্ধ্যায় সন্তান প্রসব করেন। কন্যা হওয়ায় ইব্রাহিম কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার আরও তিন কন্যা রয়েছে। কন্যা হওয়ায় নিজেদের ‘অভিশপ্ত’ মনে করেন তারা।

স্থানীয় দুই ব্যবসায়ী জানান, ওই নবজাতককে ৩০ হাজার টাকায় কিনতে দুইজন প্রার্থী ছিল। পরে ৪০ হাজার টাকায় এক প্রবাসী কিনে নেন। নবজাতকের পিতা ইব্রাহিম বলেন, কিছু জানতে হলে ভিজিটরের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি সব কিছুই জানেন। কেরোয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা সুফিয়া আক্তার বলেন যে তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না। রায়পুর পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ বলেন, ঘটনাটি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখব।