আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, খুনিরা জানতো জাতীয় চার নেতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে না। তাই এই মহান চার নেতাকে হুমকি মনে করেই তাদের নির্মমভাবে হত্যা করে।
৩ নভেম্বর মঙ্গলবার বিকাল ৫.০০ টায় জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি কর্তৃক আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, “বঙ্গবন্ধু এবং জাতীয় নেতাদের আদর্শ কে ধারণ করে আমরা যদি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি, তবে হয়ত আমরা কিছুটা কলঙ্ক মোচন করতে পারব। ”
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মোঃ আরিফ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: ছাদেকুল আরেফিন। এছাড়াও সভায় বক্তব্য রাখেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সম্মানিত ডিন, অধ্যাপক ড. মোঃ মুহসিন উদ্দীন।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক ড. মোঃ খোরশেদ আলম।
উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: ছাদেকুল আরেফিন বলেন, দেশের এই মহান ও বীর সন্তানদের অবদান তরুন সমাজের পাথেয় হয়ে থাকবে। তাদের এই আত্মত্যাগ কে বুকে ধারণ করেই দেশ সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে। তিনি তরুনদের প্রতি আহ্বান জানান দেশ গড়ার জন্য অগ্রনী ভূমিকা পালন করতে।
উল্লেখ্য ৩ নভেম্বর, জেলহত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর দ্বিতীয় কলংকজনক অধ্যায় এই দিনটি। পনেরই আগষ্টের নির্মম হত্যাকান্ডের পর তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম চার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ও জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এএইচএম কামারুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর
























