আগামীকাল শুক্রবার বাদ ফজর থেকে কহর দরিয়াখ্যাত টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে ইজতেমা ময়দানে শুরু হচ্ছে এবারের ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। এদিন শুক্রবার হওয়াতে অনুষ্ঠিত হবে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ।
তাবলিগ জামাতের তিন দিনব্যাপী বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে অংশ নিতে দেশি-বিদেশি মুসল্লিরা ইজতেমা মাঠে আসছেন।
দ্বিতীয় পর্বে মুসল্লিদের নিরাপত্তা দিতে সাত স্তরের সাড়ে ৬ হাজারের মতো পুলিশ বিশ্ব ইজতেমা ময়দান ও আশপাশ এলাকায় নিয়োজিত থাকবে বলে এক বিফ্রিংয়ে গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানান, দ্বিতীয় পর্বে যোগ দেয়া মুসল্লিরা যাতে নিবিঘ্নে চলাফেরা, অবস্থান এবং ইজতেমা শেষে ঘরে ফিরে যেতে পারেন সেজন্য সাড়ে ৬ হাজারের মতো ফোর্স কাজ করবে। সাত স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে। আগের মতো এবারও ওয়াচ টাওয়ার থেকে এবং সিসি টিভির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হবে।
এছাড়া হকার-ভিক্ষুক উচ্ছেদ এবং পকেটমারের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। ইজতেমা মাঠের চতুর্দিকে পুলিশ কর্ডন করে রাখবে। নদী পথেও টহল ব্যবস্থা থাকবে। ট্রাফিক ব্যবস্থা গত ইজতেমার চেয়ে আরও জোরদার করা হবে।
বিশ্ব ইজতেমা দ্বিতীয় পর্বে ঢাকার একাংশসহ ১৩ জেলার মুসল্লিরা অংশ নিচ্ছেন। এর জন্য ইজতেমা ময়দানকে ২৮টি খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে।
ময়দানের ১ নং থেকে ১০ নং, ১৮ নং ও ১৯ নং খিত্তায় ঢাকা জেলা, ১১ নং ও ১২ খিত্তায় জামালপুর, ১৩ খিত্তায় ফরিদপুর, ১৪ নং খিত্তায় কুড়িগ্রাম, ১৫ নং খিত্তায় ঝিনাইদহ, ১৬ নং খিত্তায় ফেনী, ১৭ নং খিত্তায় সুনামগঞ্জ, ২০ নং খিত্তায় চুয়াডাঙ্গা, ২১ ও ২২ নং খিত্তায় কুমিল্লা, ২৩ ও ২৪ নং খিত্তায় রাজশাহী, ২৫ ও ২৭ নং খিত্তায় খুলনা, ২৬ নং খিত্তায় ঠাকুরগাঁও এবং ২৮ নং খিত্তায় পিরোজপুর জেলার মুসল্লিরা অংশ নিচ্ছেন। পাশাপাশি বিদেশি মুসল্লিরা যোগ দিচ্ছেন। আগামী ২১ জানুয়ারি রোববার দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

























