০৪:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘জানুয়ারিতেই ইমরান খানের ক্ষমতা শেষ’

দ্য পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট (পিডিএম) আয়োজিত পেশোয়ারে এক সমাবেশে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি ইমরান সরকারের পতনের শপথ নেন। খবর দ্যা ডনের।

বিলাওয়াল ভুট্টো বলেন, আগামী জানুয়ারি মাসই হবে ইমরানের ক্ষমতার শেষ মাস। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে জনসমাগম আয়োজন করার ব্যাপারে সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও রবিবার পেশাওয়ারে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীর অংশগ্রহণ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

বিক্ষোভ সমাবেশের মঞ্চে পিডিএমের কেন্দ্রীয় নেতারা ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন মাওলানা ফজলুর রহমান, মরিয়ম নওয়াজ, মেহমুদ খান আকহাকজাই, আইমাল ওয়ালি খান, সরদার আকতার মেঙ্গল ও আফতাব শেরপাও। তারা সবাই একে একে বক্তব্য দেন।

বিরোধী দলগুলো বলছে, তারা ‘জনগণের প্রতিনিধিত্ব না করা’ এই সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়। সরকারের বিরুদ্ধে বিচার ব্যবস্থার ওপর প্রভাব তৈরি করা এবং অর্থনীতির অব্যবস্থাপনার অভিযোগও তুলেছে তারা। দেশটির চারটি রাজ্যের তিনটিতেই- পাঞ্জাব, সিন্ধ ও বালুচিস্তান- বড় ধরনের মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। খাইবার পাখতুনওয়ালা রাজ্যে রবিবারেই প্রথমবারের মতো সরকারবিরোধী সমাবেশ হয়েছে।

সম্প্রতি চলমান বিক্ষোভের কী পরিণতি হবে তা কেউই ধারণা করতে পারছে না। কিন্তু সবাই মনে করছেন, দ্বন্দ্বটা রাজনীতিবিদ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে তার বিরোধীরা খুবই কম প্রভাবশালী হিসেবে মনে করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

টাঙ্গাইলে জামানতের টাকা ফেরত পাবেননা ২৭ জন প্রার্থী

‘জানুয়ারিতেই ইমরান খানের ক্ষমতা শেষ’

প্রকাশিত : ০২:৫২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ নভেম্বর ২০২০

দ্য পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট (পিডিএম) আয়োজিত পেশোয়ারে এক সমাবেশে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি ইমরান সরকারের পতনের শপথ নেন। খবর দ্যা ডনের।

বিলাওয়াল ভুট্টো বলেন, আগামী জানুয়ারি মাসই হবে ইমরানের ক্ষমতার শেষ মাস। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে জনসমাগম আয়োজন করার ব্যাপারে সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও রবিবার পেশাওয়ারে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীর অংশগ্রহণ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

বিক্ষোভ সমাবেশের মঞ্চে পিডিএমের কেন্দ্রীয় নেতারা ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন মাওলানা ফজলুর রহমান, মরিয়ম নওয়াজ, মেহমুদ খান আকহাকজাই, আইমাল ওয়ালি খান, সরদার আকতার মেঙ্গল ও আফতাব শেরপাও। তারা সবাই একে একে বক্তব্য দেন।

বিরোধী দলগুলো বলছে, তারা ‘জনগণের প্রতিনিধিত্ব না করা’ এই সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়। সরকারের বিরুদ্ধে বিচার ব্যবস্থার ওপর প্রভাব তৈরি করা এবং অর্থনীতির অব্যবস্থাপনার অভিযোগও তুলেছে তারা। দেশটির চারটি রাজ্যের তিনটিতেই- পাঞ্জাব, সিন্ধ ও বালুচিস্তান- বড় ধরনের মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। খাইবার পাখতুনওয়ালা রাজ্যে রবিবারেই প্রথমবারের মতো সরকারবিরোধী সমাবেশ হয়েছে।

সম্প্রতি চলমান বিক্ষোভের কী পরিণতি হবে তা কেউই ধারণা করতে পারছে না। কিন্তু সবাই মনে করছেন, দ্বন্দ্বটা রাজনীতিবিদ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে তার বিরোধীরা খুবই কম প্রভাবশালী হিসেবে মনে করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর